জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর প্রায় ১৯ দিন ধরে চলা উত্তেজনার পর এখন ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও, দুই দেশের মধ্যে কথার যুদ্ধ এবং পাল্টাপাল্টি সামরিক দাবির লড়াই এখনো থামেনি।
রোববার (১৮ মে) পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল দেশটির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, “আমরা এমন জবাব দিয়েছি যে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কান্না গিয়ে পৌঁছেছে ওয়াশিংটনে।” তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সামরিক সক্ষমতায় ভারতের আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান এখন নেতৃত্বের দিক থেকে আত্মবিশ্বাসী, যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও প্রতিক্রিয়া জানানোর শক্তি রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে দাবি করেছে, কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলাটি ছিল ভারতের সাজানো ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’।
ওই হামলার ১০ মিনিটের মাথায় ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করে, অথচ পাকিস্তান আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানালেও ভারত তা প্রত্যাখ্যান করে।
ভারত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে একটি অভিযান শুরু করে এবং মুরিদকে, বাহাওয়ালপুর ও মুজাফ্ফরাবাদে বিমান হামলা চালায়।
পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, এ হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও ধর্মীয় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জবাবে পাকিস্তানও সামরিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতীয় সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
পাকিস্তান দাবি করে, তারা ভারতের এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করে এবং ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতেও হামলা চালায়। তবে এসব দাবির সত্যতা নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন রয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ভারতের দায় চাপানোর ঘটনাতেও অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?