বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণ সহ শহরের রাস্তাগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণের মূল রাস্তা সহ পৌরএলাকার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলোর এই বেহাল অবস্থার কারণে নারী পুরুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে এর কার্যকরী কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে ২০২৫, ২৩:৩৫

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণের মূল রাস্তা সহ পৌরএলাকার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলোর এই বেহাল অবস্থার কারণে নারী পুরুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে এর কার্যকরী কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন সভায় যানজট ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিয়ে আলোচনা হলেও কার্যকরী কোন ফলাফল এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। বেশিরভাগ রাস্তায় একটু বৃষ্টি হলেই রিকশা, মোটরসাইকেল কিংবা অ্যাম্বুলেন্স চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে।

অনেক সময় যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইল জেলা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর গুলোতে যাতায়াতের যে রাস্তা গুলো রয়েছে সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ডিসি অফিস, এসপি অফিস,জেলা পরিষদ ও আদালত সংলগ্ন যে রাস্তা রয়েছে, সে রাস্তাগুলোতে ছোট বড় বেশ কিছু গর্ত তৈরি হয়েছে, ঢালাই দেয়া রাস্তা গুলোতে লোহার রোড গুলো বেরিয়ে ররেছে। এ কারণে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনা ঘটে।

এগুলোতে মাঝে মাঝে বৃষ্টির পানি জমে হাঁটা চলার পথও বন্ধ হয়ে যায়। পৌরসভার জেলা সদর হয়ে এলজিইডি মোড়ের রাস্তা, পার্কবাজার, কলেজপাড়া, থানাপাড়া, আদালতপাড়া, স্টেডিয়াম ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা ও কাগমাড়াসহ শহরের একাধিক রাস্তা খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। ওই রাস্তাগুলো দিয়ে রিকসা, অটোরিকসা ও যানবাহনগুলো যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে, রিকসা চালক আলম মিয়া ও পলাশ ক্ষোভ নিয়ে বলেন এই রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের উপযোগী না থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমন ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর। এছাড়া চলাচলের সময় একটু এদিক সেদিক হলেই রিকসা উল্টে যায়, নয়তো রিকসার যাত্রী পড়ে যায়।

তারা বলেন গত সপ্তাহে এক স্কুল ছাত্রী রিকসা থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়রা রিকসা চালককে মারধর করে। সিএনজি চালক নুরু মিয়া বলেন, পৌর এলাকার প্রায় রাস্তাগুলোর করুণ দশা। এমন রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালালে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়াও রোগী নিয়ে যাতায়াত করা খুবই কঠিন। পার্কবাজারের পথচারীরা জানান, এই রাস্তাটি পৌরসভার খুবই গুরত্বপুর্ন রাস্তা, হাজার-হাজার লোক ও শত-শত ব্যাবসায়ীর চলাফেরা এই রাস্তাটি দিয়ে। পৌরসভার উদাসীনতার কারণে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কাঁচামালের ব্যবসায়ী সাত্তার মিয়া বলেন, দুরদুরান্ত থেকে তিনি কাঁচামাল কিনে পার্কবাজারে এনে বিক্রি করেন। এখানকার রাস্তাঘাট খারাপ থাকায় ভ্যান রিকসা আসতে চায়না। আসলেও ভাড়া বেশি নেয়। টাঙ্গাইল কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী বলেন, আদালত প্রাঙ্গনের রাস্তাটির অবস্থা খুব খারাপ। বর্তমানে রাস্তাটির সলিং উঠে গিয়ে রড বেড় হয়ে গেছে। সেই রডের কারনে মাঝেমধ্যেই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। জেলা সদর রোডে এরকম ভুক্তভোগী বাবু মিয়াবলেন, জেলা সদরের এই রাস্তাটি দিয়ে হাজার হাজার লোকজনের চলাফেরা।

এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন কোর্টে আসতে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে। দীর্ঘদিন যাবত এই রাস্তাটি খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মাঝে মধ্যে পৌরসভা থেকে রাস্তায় রাবিশ ফেললেও সামান্য বৃষ্টিতে তা ধুঁয়ে যায়। তিনি টাঙ্গাইল পৌর কৃর্তপক্ষের নিকট রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানান। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শিহাব রায়হান এর সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তিনি বলেন, রাস্তাগুলোর বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। পর্যায়ক্রমে রাস্তাগুলো মেরামত করা হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।