মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলে পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রৌকশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে টাঙ্গাইলের শহর রক্ষা বাঁধরে পাশ থেকে মাটি কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি মহল। সেই মহলের সাথে আতাত করে শহর রক্ষা বাঁধ দিয়ে দেদারছে চলছে দশ চাকার গাড়ি। এতে শহর নক্ষা বাঁধটি খানাখন্দে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ মে ২০২৫, ০০:২৬

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে টাঙ্গাইলের শহর রক্ষা বাঁধরে পাশ থেকে মাটি কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি মহল।

সেই মহলের সাথে আতাত করে শহর রক্ষা বাঁধ দিয়ে দেদারছে চলছে দশ চাকার গাড়ি। এতে শহর নক্ষা বাঁধটি খানাখন্দে পরিনত হয়েছে,হুমকি রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ।

সুত্র জানায়,ফ্যাসিবাদ সরকারের সময়ে টাঙ্গাইলে যোগদান করেন উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হান। যোগদানের পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি।

কালিহাতী উপজেলার পৌলি শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁেষ মাটি কাটার ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহন, যমুনা নদীর পাড়ে বোয়ামারো এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার উপর দিয়ে দশ চাকার বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলে বালু ব্যবসায়ীদের নিকট অর্থ গ্রহন,

মোনায়েম কোম্পানির কাজ শেষ হলেও যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেইজিংকারীদের সহায়তা ও আওয়ামী দোসরদের দিয়ে বালু উত্তোলন কাজে সহায়তা। এসব করে তিনি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জানা যায়, পৌলি গুচ্ছ গ্রামের পাশ দিয়ে সরকার কোটি-কোটি টাকা ব্যায়ে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছেন। নিয়ম রয়েছে শহর রক্ষা বাধের একশ ফিটের মধ্যে কোন প্রকার বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা যাবেনা। এর তত্বাবধানে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা হয়ে অবৈধভাবে মাটি কাটার ব্যবসায়ীদের যোগসাজস করে ও অর্থের বিনিময়ে মাটি কাটার বাঁধা প্রদান না করে মৌখিক অনুমোদন দেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোটা টাকার বিনিময়ে মৌখিক অনুমোদন দিয়েছেন। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে তা টপ অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,কালিহাতী উপজেলার পৌলি গ্রামের মাটি ব্যবসায়ীরা শহর রক্ষা বাঁধ ঘেঁষে ছয়টি মাটির ঘাট করেছেন। ছয়টি ভেকু মেশিন দিয়ে বালু মাটি কাটছে। শতাধিক দশ চাকার ড্রাম ট্রাক দিয়ে শহর রক্ষা বাধের উপর দিয়ে চলাচল করছে।

শহর রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে বিভিন্নস্থানে খানাখন্দ হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও কালিহাতী উপজেলার আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ ভাতিজার সাথে আতাত করে মোনায়েম কোম্পানির দোহাই দিয়ে বেয়ারামারো পানি উন্নয়নের জায়গার উপর দিয়ে দশ চাকার ড্রাম ট্রাক চালাচ্ছে।

সুত্র মতে জানাযায় ওই দশ চাকার ড্রাম ট্রাকগুলো চলাচলের মৌখিক অনুমতি দেন ওই প্রকৌশলী।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পৌলিতে দিনের বেলায় তোফাজ্জল ঘাট চালাতো। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু রাতের বেলায় বারেক কমিশনার বালু ঘাট চালিয়ে যাচ্ছে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনী কয়েক দফায় ভেকু নষ্ট দেয়। পরে ভেকু মেশিন ঠিক করে পুরনায় রাতের বেলায় বারেক কমিশনারের লোকজন বালু মাটি বিক্রি করে।

পৌলি মাটি ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান,আমরা উন্নয়নমুলক কাজের স্বার্থে নিজেদের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছি।

সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডে এক কর্মকর্তা টাকা দাবি করে। প্রথমে তার সাথে যোগাযোগ করি। পরবর্তীতে তিনি মোটা অংকের টাকা দাবি করলে বিষয়টি উর্ধতন ব্যক্তিদের জানালে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল মুঠোফোনে বলেন,পৌলি শহর রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ট্রাক চলাচল বন্ধের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছি।

এছাড়াও প্রশাসনের সাথে অভিযানে গিয়ে তিনবার বন্ধ করে দিয়েছি। টাকার বিনিময়ে মাটি ব্যবসায়ীদের মৌখিক অনুমোদনের বিষয়টি মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবোর) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমানের ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।