শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সরকারি বরাদ্দের অভাবে পটুয়াখালীর বঙ্গোপসাগরে অভিযান ব্যাহত

বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধে ১৪ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় পাইজাল সহ বিভিন্ন প্রকারের জাল ফেলে চলছে মাছ শিকার। এ সময় ইলিশসহ সকল প্রকার সামুদ্রিক মাছ ধরার উপর সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা মানছেন না গভীর সমুদ্র তীরবর্তী এ উপজেলার অনেক জেলে। তাছাড়া রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ, সোনার […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০১ মে ২০২৫, ০০:৫৭

বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধে ১৪ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় পাইজাল সহ বিভিন্ন প্রকারের জাল ফেলে চলছে মাছ শিকার।

এ সময় ইলিশসহ সকল প্রকার সামুদ্রিক মাছ ধরার উপর সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা মানছেন না গভীর সমুদ্র তীরবর্তী এ উপজেলার অনেক জেলে।

তাছাড়া রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ, সোনার চর, চর হেয়ার সমুদ্রের ভিতরে জেগে ওঠা এসব চরের সাগরে পাই জাল ফেলে ট্রলার দিয়ে টেনে টেনে মাছ তোলা হচ্ছে।

পাইজাল অতি ঘন নেট জাল হওয়ার কারনে সকল প্রকার মাছ উঠে আসছে। এ জাল সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া, সমুদ্রে ইঞ্জিল চালিত ট্রলার দিয়ে মাছ ধরতে ব্যাস্ত সময় পার করছে জেলেরা।

বেহন্তি জালের বাগদা মাছের পোনা সংগ্রহ করছেন জেলে নুরু মিয়া। সমুদ্র কূলে বেশি পোনা পাওযায় পরিবার সহ এসেছেন। মইয়া নেটজাল পেতে সংগ্রহ করা হচ্ছে বাগদা চিংড়ির রেনু। এর ফলে অন্য প্রজাতির মাছ ধংস হচ্ছে। এভাবে জলিল, মাহিনুর, স্বপন, নছিমন বিবিরা মাছের পোনা সংগ্রহ করছেন।

বেল্লাল মাঝি তার গ্রামের বাড়ি রাঙ্গাবালীর পূর্ব নেতা। সম্পূর্ন নিষিদ্ধ পাইজাল ফেলে মাছ ধরছেন। তার ট্রলারে রয়েছে ১৫ জন জেলে। সে জানায় এসব মানা-টানা হুনলে পেট ভরবে না ( নিষেধ শুনলে)। সব কিছু ম্যানেজ করেই মাছ ধরতে হয়।

ভাগে ভাগে ১০ হাজার করে টাকা দিয়ে মাছ ধরছি। মৎস্য অফিসের স্যারেরা আসলে খোরাকি মাছ টাকা দিয়ে দেই তারা চলে যায়। যারা তাদের সাথে যোগাযোগ না রাখে ঠিক মতো তাদের জাল পুড়িয়ে দেয়।

সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ পাইজালের মালিক আউয়াল মাঝি সেও পূর্ব নেতা থেকে এসেছে তাকে ডাকলে কাছে আসে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে দ্রুত জাল টেনে ট্রলার নিয়ে সরে পড়েন।

রাঙ্গাবালী উপজেলা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমাদের অভিযানের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকায় আমরা অভিযান পরিচালনা করতে পারছিনা। আর আমি কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং রাঙ্গাবালী উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি।

আমাদের কোন যানবাহন নেই যা দিয়ে অভিযান পরিচালনা করবো। আপনাদের মাধ্যমে তথ্য পেয়েছি অভিযান পরিচালনা করার চেষ্টা করবো।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি পর্যাপ্ত লোক বল এবং অনুদান না থাকায় কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে তবে সব ঠিক হয়ে যাবে। নৌ পুলিশ এবং কোর্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন বলে জানা যায়।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।