সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, পক্ষে নয় বিএনপি

বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানোর পক্ষে নয় এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশে অনেক বিষয়েই দ্বিমত পোষণ করেছে। দলটি মনে করে, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় ক্ষমতা থাকা উচিত এবং সেই ক্ষমতা খর্ব করা হলে কার্যকর প্রশাসন ব্যাহত হবে। বিএনপি স্পষ্ট করেছে যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের বিষয়ে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিয়োগের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে, এই […]

দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, পক্ষে নয় বিএনপি

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ মার্চ ২০২৫, ২২:২৮

বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানোর পক্ষে নয় এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশে অনেক বিষয়েই দ্বিমত পোষণ করেছে। দলটি মনে করে, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় ক্ষমতা থাকা উচিত এবং সেই ক্ষমতা খর্ব করা হলে কার্যকর প্রশাসন ব্যাহত হবে।

বিএনপি স্পষ্ট করেছে যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের বিষয়ে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিয়োগের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে, এই বিষয়ে সবকিছু সংবিধানে থাকা জরুরি নয়।

দলটি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপি বলেছে, অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত এনসিসির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দিলে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হবে।

এছাড়া, বিএনপি এনসিসির মাধ্যমে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাবকেও অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে। তারা বলেছে, এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে। বিএনপি বিলুপ্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থার পুনর্বহালের পক্ষে।

দলটি মনে করে, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তবে, বিএনপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএনপি নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারেও কমিশনের কিছু প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, কর্ম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে দলটি।

দলটির মতে, কাউকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার বিষয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। এছাড়া, সংবিধানের মূলনীতি সংক্রান্ত বিষয়েও বিএনপি তার নিজস্ব অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিএনপি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হলেও উচ্চকক্ষে সদস্য বণ্টনের ক্ষেত্রে তারা ভিন্নমত পোষণ করেছে। তাদের মতে, উচ্চকক্ষের সদস্য বণ্টনে ভোটের অনুপাতে নয়, আসনের অনুপাতে বণ্টনের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই মতামত দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে। বিশেষত, ক্ষমতার ভারসাম্য ও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে দলটির সুস্পষ্ট অবস্থান সরকার এবং বিরোধী পক্ষের মধ্যে বিতর্ককে আরও তীব্র করতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০