শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি ঘুষ বাণিজ্যের এজিএম চক্র এখনও সক্রিয়

মেহেরপুর প্রতিনিধি:  নীতিমালার প্যাচে পড়ে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি থেকে ট্রান্সফরমার কিনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু ঘূষ দিলেই মিলছে ট্রান্সফরমার। এই রট্রান্সফরমার বাণিজ্য চক্রের সাথে খোদ জেনারেল ম্যানেজার, এজিএম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আর তাদেরকে পেশিশক্তি দিয়ে আশ্রয় দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন একজন ঠিকাদার।  অনুসন্ধানে জানা গেছে, যখন গ্রাহক পর্যায়ে ট্যান্সফরমারের প্রয়োজন হয় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ মার্চ ২০২৫, ১৬:১০

মেহেরপুর প্রতিনিধি: 

নীতিমালার প্যাচে পড়ে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি থেকে ট্রান্সফরমার কিনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু ঘূষ দিলেই মিলছে ট্রান্সফরমার।

এই রট্রান্সফরমার বাণিজ্য চক্রের সাথে খোদ জেনারেল ম্যানেজার, এজিএম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আর তাদেরকে পেশিশক্তি দিয়ে আশ্রয় দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন একজন ঠিকাদার। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, যখন গ্রাহক পর্যায়ে ট্যান্সফরমারের প্রয়োজন হয় তখন স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ানদের মাধ্যমে আবেদন করানো হয়। আবেদন দেখে জিএম স্বদেশ কুমারের কাছে ওই গ্রাহককে পাঠিয়ে দেন তার পোষ্য দালালরা।

ট্রান্সফরমার সংকট দেখিয়ে গ্রাহককের পুরো টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভীত হয়ে পড়েন গ্রাহক। গ্রাহকদের নানা অনুরোধের পরে জিএম তার নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দেন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে।

সেই ব্যক্তিদের সাথে গ্রাহকের আলোচনা হয় এবং ২০—৩০ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে সংযোগের জন্য ট্রান্সফরমার পেয়ে থাকেন গ্রাহকরা।

আর কথিত এই দালালদের সাথে আলোচনায় যদি কেউ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানায় তবে টাকা দিয়ে ট্রান্সফরমার কিনতেও ভোগান্তি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে গ্রাহকরা ঘুষ কিংবা পল্লী বিদ্যুতে অর্থ জমা দিয়ে তাদের খুশি রেখে ট্রান্সফরমার নিয়ে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে, গাংনীর একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক সংযোগে লোড বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়। আবেদন পেয়ে সক্রিয় হয়ে উঠে পল্লী বিদ্যুতের দুনীর্তিবাজ চক্রের সদস্যরা।

ট্রান্সফরমার কেনার কথা বলে গ্রাহককে গাংনী জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আখতারুজ্জামানের মাধ্যমে প্রথমে যোগাযোগ হয় এজিএম তিতাস হোসেনের সাথে এবং পরবতীর্তে জিএম স্বদেশ কুমার পর্যন্ত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই তিন জনের সাথে ট্রান্সফরমার জালিয়াত চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ঠিকাদার মোজাম্মেল হক। জিএম স্বদেশ কুমারের সব অপকর্ম ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকেন ঠিকাদার মোজাম্মেল।

স্থানীয় পেশিশক্তি ব্যবহার করে বর্তমানে তিনি ঢাল হিসেবে স্বদেশ কুমারের অপকর্ম আড়াল করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। স্বদেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিলকারীরকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করতে জোরেসোরে কার্যক্রম চালাচ্ছেন মোজাম্মেল হক। 

জানা গেছে, পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ছবি, লগো ও স্লোগান সম্বলিত মাসিক বিদ্যুত বিল ৫ আগস্টের পর কয়েকমাস ধরে বাড়ি বাড়ি বিতরণ করা হয়। এর জন্য জিএম স্বদেশ কুমারের ফ্যাসিবাদী প্রীতিকে দায়ী করেছেন অনেকে।

এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়। জিএম ইমেজ সংকটে পড়েন। উঠে আসতে থাকে তার নানা প্রকার দুনীর্তির চিত্র। জিএম এর দুনীর্তি চক্রের এক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত একটি বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়।

তবে এসব ঠিক করে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামেন ঠিকাদার মোজাম্মেল হক। তিনি প্রায় সব সময়ই জিএম এর আশেপাশে ঘুরঘুর করেন।

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের অঘোষিত ত্রাণকর্তা হিসেবে নিজেকে জাহির করেন। মোজাম্মেল হকের উপর ভর করেই জিএম পূর্বের মতই ঘুষ বাণিজ্যে আবারও লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

তবে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করলে মোজাম্মেল হকের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। 

অভিযোগ রয়েছে, গাংনীর ওই দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ট্রান্সফরমার কিনে নিতে হবে শুনে গ্রাহক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। টাকা দিয়ে ট্রান্সফরমার কিনে লোড বাড়ানো সম্ভব নয় বলে অপরাগতার কথা জানিয়ে দেন গ্রাহক।

এর এক পর্যায়ে জিএম স্বদেশ কুমার, এজিএম তিতাস হোসেন ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আখতারুজ্জামান চক্র একজন কতিথ দালাল প্রেরণ করেন ওই প্রতিষ্ঠানে। জিএম, এজিএম এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রকে ম্যানেজ করতে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।

এ টাকা দিলেই জিএম, এজিএম এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মিলে বিনামূল্যে ট্রান্সফরমার লাগিয়ে দিবেন বলে আশা দেন ওই কতিথ দালাল। স্যারদের (জিএমএম, এজিএম, জুনিঃইঞ্জিনিয়র) পক্ষ থেকে এ খবর গ্রাহককে দিতে বলা হয়েছ বলেও দাবি করেন ওই কতিথ দালাল।

তবে ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির লোড এখন বাড়ানো হয়নি বলে জানা গেছে। জরুরী প্রয়োজন হলেও লোড ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি না করায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।  

তবে অভিযোগ সব মিথ্যা দাবি করে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) স্বদেশ কুমার বলেন, একটি গতানুগতিক অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আসলে এসব অভিযোগের সবই মিথ্যা। ট্রান্সফরমার প্রতারণা ও ঘুষের সাথে কাউকে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।