বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বঙ্গবন্ধুর আ.লীগ কোন দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না : মাহফুজ আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কোন ছাড় নয়। বরং ৭২, ৭৩, ৭৪ সালের আওয়ামী লীগের ক্ষমতার যেই অপব্যবহার সেটা আপনারা দেখেছেন। এখন কথা উঠছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বলতে একটা জিনিসের। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ কোন দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না। শুক্রবার (২১ মার্চ) নোফেল সোসাইটি আয়োজিত জুলাই অভ্যুত্থানে আহত […]

নিউজ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০২৫, ১২:১০

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কোন ছাড় নয়। বরং ৭২, ৭৩, ৭৪ সালের আওয়ামী লীগের ক্ষমতার যেই অপব্যবহার সেটা আপনারা দেখেছেন। এখন কথা উঠছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বলতে একটা জিনিসের। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ কোন দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না।

শুক্রবার (২১ মার্চ) নোফেল সোসাইটি আয়োজিত জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ কোন দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না। ওইটা হচ্ছে প্রথম বাকশাল। প্রথম মুজিববাদের প্রথম রাজনৈতিক যেই বিকাশ ঘটেছিল, এটা ঘটেছিল শেখ মুজিবের আমলে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গুম, খুন, ধর্ষণ করা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে।

এটা আমাদের বারবার বলে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বলতে কোন শুদ্ধ, সহিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ বলতে কিছু নেই।

মাহফুজ আলম বলেন, আওয়ামী লীগ মূলত একটি ফ্যাসিবাদী একটি অর্গান এবং আপনারা ইতিমধ্যে প্রমাণ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ কোন দেশীয় শক্তি নয়। এটা মূলত এখানে বিদেশ থেকে ট্রান্সপ্লান্টেড একটা শক্তি।

এখানে এই নাটাই ধরে রাখা হয়েছে দিল্লিতে, আর ঘুড়ি উড়ে বাংলাদেশে। এই ঘুড়ি আর এই বাংলাদেশে উঠতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ফলে আমরা বলব যে, এই ৭২, ৭৫ এ যেইভাবে নিপীড়ন চালানো হয়েছে জনগণের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশকে দিল্লির পদাবনত করে রাখা হয়েছিল।

গত ১৬ বছরে যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বারবার, আওয়ামী লীগ যখনই সুযোগ পাবে এই দেশের জনগণের বিরুদ্ধে যাবে। এই দেশের সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যাবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছি। আমাদের মনে রাখতে হবে, এই বিজয় হয়েছিল একটি রাজনৈতিক এবং একটি সংঘবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমে।

আমরা যদি সংঘবদ্ধ না থাকি এবং রাজনৈতিকভাবে লড়াই মোকাবেলা না করি, তাহলে আওয়ামী লীগ ফেরত আসবে। আর আওয়ামী লীগ ফেরত আসলে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণী ছাত্রদের কারোরই স্বাধীনতা এবং ইভেন নিজের জানমালের নিরাপত্তা থাকবে না।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আপনারা কেউ বিএনপি করতে পারেন, জামায়াত করতে পারেন, আলেম-ওলামাদের বিভিন্ন দল আছে, তা করতে পারেন, আপনারা ছাত্রদের সংগঠন করতে পারেন, যে যেই সংগঠনই করুন না কেন,

অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকা, সংস্কারের প্রশ্ন ঐক্যবদ্ধ থাকা, বিচারের প্রশ্ন ঐক্যবদ্ধ থাকা।

তিনি বলেন, নির্বাচন হবে সঠিক সময়ে, যেটা ডক্টর ইউনুস বলেছেন। এই বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে একটি টাইমলাইন দেওয়া আছে। এই ডিসেম্বর টাইমলাইনের ভিতরে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের জন্য সবাই প্রস্তুতি নিন।

১৬ বছর পরে বাংলাদেশের নির্বাচন হবে। জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তারা যাকে মনোনয়ন দিতে চান, তারা যাকে নির্বাচিত করতে চান, তাদেরকে সংসদে পাঠাবেন।

মাহফুজ আলম বলেন, ফলে আমি মনে করি, নির্বাচন নিয়ে কোন দোনোমনার দরকার নেই। নির্বাচন ও সংস্কারকে মুখোমুখি করার কোন দরকার নেই। বরং নির্বাচন প্রশ্ন মোটামুটি একটি ঐক্যমত্ত্বের জায়গায় এসে পৌঁছেছে।

যদি রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং রাষ্ট্রের যে অর্গান গুলো আছে তারা যদি দায়িত্বশীল আচরণ করে, সহযোগিতামূলক আচরণ করে এবং সেভোটেজ বন্ধ করে, আমরা আশা করি, সঠিক সময়ে নির্বাচন সংঘটিত হবে এবং নির্বাচন সংঘটিত হওয়ার আগেই বিচার এবং সংস্কারের কাজ দৃশ্যমান হবে।

সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নে যতবার ডাক আসবে ছাত্রদের পক্ষ থেকে, দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে, প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে, আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংস্কার ও বিচারের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫২