শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আজ

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী সোমবার (১৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৬ মার্চ) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য […]

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আজ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৫, ১১:১০

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী সোমবার (১৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৬ মার্চ) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের বিভিন্ন স্তরের ১২৭ জন শীর্ষ কর্মকর্তা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। এতে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র জানায়, এই বৈঠকে দেশের সব জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), রেঞ্জ ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক), সব মহানগর পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সদর দপ্তরের তিনজন ডিআইজি, সব অতিরিক্ত আইজিপি ও আইজিপি উপস্থিত থাকবেন। এটি হবে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। ধারণা করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেবেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, বিচারপ্রক্রিয়ায় পুলিশের ভূমিকা, সন্ত্রাস দমন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকে স্থান পাবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই বৈঠকের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বৈঠকের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করার পরিকল্পনা নিতে পারে। ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা প্রতিরোধ, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীকে কঠোর বার্তা দেবেন এবং জনবান্ধব ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সহিংসতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশ বাহিনীকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, দুর্নীতিমুক্ত ও পেশাদার করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা।

নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাই প্রধান উপদেষ্টা কী ধরনের নির্দেশনা দেবেন, সেটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ জনগণেরও কৌতূহল রয়েছে। পুলিশের মধ্যে কোনও দুর্নীতি, অপব্যবহার বা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেন না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

এ বৈঠকে আরও আলোচনা হতে পারে পুলিশের দায়িত্বশীলতা, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা চালু করা, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ করা এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের সুসম্পর্ক গড়ে তোলা নিয়ে। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন নীতিমালায় পুলিশের কার্যক্রম আরও জবাবদিহিমূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এই বৈঠকে আরও পরিষ্কার হতে পারে। পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা কীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে পারেন এবং কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারেন, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বৈঠকের পরপরই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হতে পারে। বিশেষ করে, দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার কী ধরনের সংস্কার পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে, সেটিও বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে। ৫ আগস্টের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই প্রধান উপদেষ্টা কী বার্তা দেবেন, সেটি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।

এ বৈঠককে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক মহল, আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণের গভীর দৃষ্টি রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা কী বার্তা দেবেন, পুলিশ প্রশাসনে কী পরিবর্তন আসবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে বৈঠকের পরই। এটি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।