শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পটুয়াখালীতে বাণিজ্যিকভাবে আগাম জাতের তরমুজের বাম্পার ফলন

বর্তমান মৌসুমের রসালো ও মিষ্টি ফলের মধ্যে পরিচিত একটি ফল তরমুজ। বাণিজ্যিকভাবে লাভবানের লক্ষে আগাম জাতের তরমুজের আবাদ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন পটুয়াখালীর কৃষকরা। রমজানকে কেন্দ্র করে বাড়তি করার জন্য কৃষক ন্যায্য মূল্যে বিক্রির প্রত্যাশায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চলেছেন। নদী, খাল আর অধিক চর নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী জেলা। উপকূল বেষ্টিত এ জেলাটি তরমুজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৫, ২৩:২০

বর্তমান মৌসুমের রসালো ও মিষ্টি ফলের মধ্যে পরিচিত একটি ফল তরমুজ। বাণিজ্যিকভাবে লাভবানের লক্ষে আগাম জাতের তরমুজের আবাদ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন পটুয়াখালীর কৃষকরা। রমজানকে কেন্দ্র করে বাড়তি করার জন্য কৃষক ন্যায্য মূল্যে বিক্রির প্রত্যাশায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চলেছেন।

নদী, খাল আর অধিক চর নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী জেলা। উপকূল বেষ্টিত এ জেলাটি তরমুজ চাষের জন্যে এক উর্বর এবং উপযুক্ত স্থল। তাই তরমুজের শহর হিসেবে দিন দিন পরিচিতি লাভ করে চলেছে পটুয়াখালী। উপযুক্ত স্থান ও অধিক ফলন হওয়ায় প্রতিনিয়ত তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন এ জেলার কৃষকরা। জেলার নৌ ও স্থল পথে বিক্রয়ের জন্য তরমুজ নিয়ে কৃষক ছুটছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

গ্রেট ওয়ান, বিগ ফ্যামেলি, আনন্দ, আনন্দ সুপার, সুইট ফ্যামিলি, লাকী ড্রাগন, এশিয়ান-৩ ও ড্রাগন জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে এ জেলায়। চরাঞ্চলে তরমুজের ক্ষেতে রোদকে উপেক্ষা করে কৃষক তরমুজের আগাছা ও পোকা দমনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাংলাদশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফরিয়ারা এসে ছুটছেন তরমুজ চাষীদের ক্ষেতে।

একটু বেশি লাভের আশায় গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকরা আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। অনেক তরমুজ চাষিরা রমজানের প্রথম থেকেই তাদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি শুরু করেছেন। তাই বাজারে তরমুজ তুলতে অনেকেই এখন ব্যস্ত হয়ে পরেছে। গলাচিপার সবচেয়ে বড় তরমুজ ঘাট আমখোলা মুশুরীকাঠির ঘাটটি।

জেলার অধিকাংশ তরমুজ সরবরাহের লক্ষে আমখোলা থেকে হরিদেপুর পর্যন্ত করা হয়েছে সাতটি ঘাট। গলাচিপার বিভিন্ন চর থেকে তরমুজ চাষী ব্যাপারীরা ট্রলারে করে তরমুজ নিয়ে আসেন ঘাটগুলোতে। মুশুরিকাঠি থেকে ট্রাকের আকারের উপর ভাড়া নিধারিত হয় ৩০-৩৫ হাজার টাকা। প্রায় ১০০০ থেকে ১৩০০ মৌসুমি শ্রমিক দিন রাত কাজ করেন এই ঘাটে।

ট্রলার থেকে ট্রাকে তরমুজ সাজাচ্ছে শ্রমিকরা। তরমুজ ঘাটকে কেন্দ্র করে মৌসুমি দোকানও জমে উঠেছে। প্রতিদিন প্রায় শতশত তরমুজের ট্রাক যাচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। এছাড়া মুশুরিকাঠি থেকে হরিদেপুর ঘাটেও লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি ট্রাক। এর ফলে যানজটে পরতে হচ্ছে এম্বুলেন্স সহ যাত্রী সাধারণদের। 

গলাচিপা উপকূলের চরের তরমুজ চাষি মোঃ খোকন (৪৭) জানান, পাঁচ (০৫) বছর তরমুজ চাষ করে আসছেন। এখন পর্যন্ত তার কোনো লস হয়নি। এ বছরও তিনি ১২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে তার ৮৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আশা করছেন এ বছর দাম ভালো পাওয়া গেলে প্রতি বিঘা জমিতে দের থেকে দুই লক্ষ টাকা বিক্রি হবে। বিগ ফ্যামিলি, সুইট ফ্যামিলি, লাকী ড্রাগন, এশিয়ান-৩ ও ড্রাগন জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে।

কৃষক জহিরুল ইসলাম(৫৫) বলেন, সাত (০৭) বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। সার ঔষধ ঠিক মত পাওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হলেও এক অজানা রোগের কারনে গাছগুলো মরে গিয়ে ফল নষ্ট হয়েছে এবং এমটা এখানে শুধু আমার জমির তরমুজেই হয়েছে। 

কৃষক কামাল হোসেন (৩৬) জানান, আমি আগাম জাতের তরমুজ চাষ করিনি কারন একটু দেরিতে বিক্রি করলে ভালো দাম পাবো। তবে স্যার কীটনাশক দাম একটু বেশি। কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে ন্যায্য মুল্য এ বছর সার কীটনাশক পাওয়া গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর ফুল প্রজনন করতে হয়নি। এটা একটা ভালো দিক আর যারা বর্ষায় জমিতে একটি চাষ দিয়ে রাখছেন তাদের ফসল ভালো হয়েছে রোগ বালাই কম। 

কৃষক বেল্লাল প্যাদা(৩০) বলেন, কৃষি বিভাগের লোকজন তরমুজ চাষীদের কাছে কম আসে ডাকলে আসে। এসে ঔষধ লিখে দিয়ে চলে জায়। এর বেশি তারা খোজ রাখেন না।

রাঙ্গাবালী ছোটবাইশদিয়ার চাষি মোঃ জসিম (৩৫) জানান, আট বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ২৭০০ পিছ তরমুজ কেটেছেন। ভালো দাম পাবার আশায় ঢাকা নিয়ে যাচ্ছেন। 

একজন ব্যাপারী রাজু আহম্মেদ (৪৮) বলেন, ঢাকা থেকে তরমুজ কিনতে চর কাজলে এসেছেন। ক্ষেত থাকে ঢাকা পর্যন্ত তরমুজ প্রতি খরচ হয় ৩২-৩৫ টাকা। আগাম জাতের তরমুজ বেশি আশায় বাজার একটু কমে গেছে। তবে এই তরমুজের জেলায় কোথাও কোনো চাঁদা দিতে হয়নি। এটাই তার কাছে ভালো লাগার বিষয়।

ঘাট পরিচালক মোঃ নাসির গাজী বলেন, প্রতিদিন এখানে প্রায় ১০০০-১৩০০ শ্রমিক কাজ করেন। প্রতি দিন বিভিন্ন চর থেকে তরমুজ নিয়ে চাষী ব্যাপারীরা এখানে আসে ট্রলারে করে। ট্রলার থেকে ট্রাকে তরমুজ ভরে বাংলাদেশের বিভিন্ন হাট-বাজার মোকামে চলে যায়।

ট্রলারের মাঝী কাশেম খা জানান, তরমুজ নিয়ে আসছেন চর বিশ্বাস থেকে তিনি খুবই ব্যস্ত, তরমুজ নামিয়ে দিয়ে আবার ছুটবেন অন্য তরমুজ চাষী তাকে ফোনে তাড়া দিচ্ছে। একটুও সময় নেই তার কথা বলার। 

ট্রাক এর এজেন্সির একজন মনু জোমাদ্দার (৫৬) বলেন, কিছু ঝিগাইবেন আমাগো কথা নিবেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় এখানের সাতটি (০৭) ঘাটে প্রতিদিন কত ট্টাক তরমুজ লোড হচ্ছে। তিনি জানান প্রায় ৩৮০-৪৫০ ট্রাক তরমুজ শুধু এখান থেকেই যাচ্ছে। পুরো জেলা থেকে প্রতিদিন ৭০০-৮০০ তরমুজ এর ট্রাক যাচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। 

ভাসমান মৌসুমি দোকান মোসামাৎ আকলিমা বেগম (৩৬) বলেন, ছেলে স্বামী নিয়ে ভাতের হোটেল খুলে বসেছি বিক্রিও ভালো। প্রতিদিন ২০-২৫ কেজি চালের ভাত বিক্রি হচ্ছে। এরকম কোহিনুর (৪০) সেফালি (৪৩) সবারই ভাতের হোটেল, চায়ের দোকান থেকে হরেক রকমের দোকান নিয়ে বসেছেন এই ঘাট গুলোতে। ঘাট থেকে হাট কয়েক হাজার বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এই তরমুজের মৌসুমে।

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক, জেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, গত বছর ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে তবে চলতি বছর ২৮হাজার ৫০০হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে যা গত বছর এর তুলনায় ৫ হাজার হেক্টর বেশি। কৃষক গ্রেট ওয়ান, বিগ ফ্যামেলি, আনন্দ, আনন্দ সুপার জাতের তরমুজ বেশি চাষ করেছেন। বর্তমান তরমুজ কর্তন চলছে। চাষি যথাসময়ে স্যার কীটনাশক পেয়েছেন ফলন ভালো জলবায়ুও ভালো।

গত বছর (০২) হাজার কোটি টাকা হয়েছে এবছর (০৩) হাজার কোটি টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছি। জেলা প্রশাসক মহোদয় মোবাইল টিমের মাধ্যমে আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। যাতে কৃষক দালাল পাইকারের প্রতারণার শিকার না হয়। জেলা পুলিশ সুপার মহদোয় পুরো জেলার কোথাও কোনো বাঁধা বা চাষি হয়রানি না হয় সে ব্যাপারে পুলিশের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। তরমুজ একটি লাভ জনক ফসল এখানে বিনিয়োগ একটু বেশি করতে হয় তবে লাভও ভালো। 

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও গাছে রোগবালাই আক্রমণ কম হওয়ায় ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে তরমুজ চাষিরা।

 তরমুজ চাষে বেশি বিনিয়োগ করতে পারলে লাভের পরিমানও বেশি থাকে। তাই সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক থেকে অর্থের যোগান পেলে আরও বড় পরিসরে তরমুজ চাষ করতে পারতো এমনটাই জানিয়েছেন এ উপকূলের কৃষকগণ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।