শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধামইরহাটকে মডেল উপজেলা করার আক্ষেপ নিয়ে চলে গেলেন- ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি  নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হলো না উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাতে বদলিজনিত বিদায় অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ নিজ কার্যালয়ে একান্ত সৌজন্য সাক্ষাতকারের সময় গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা বলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর। ধামইরহাটকে একজন গণমাধ্যম বান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার তিনটি প্রেস ক্লাবকে তিনি একত্রিত করেন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ২০:০৬

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হলো না উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাতে বদলিজনিত বিদায় অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ নিজ কার্যালয়ে একান্ত সৌজন্য সাক্ষাতকারের সময় গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা বলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর। ধামইরহাটকে

একজন গণমাধ্যম বান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার তিনটি প্রেস ক্লাবকে তিনি একত্রিত করেন এবং প্রেসক্লাবের বাইরে থাকা সাংবাদিকদেরও সমান গুরুত্ব দিয়ে একই চোখে দেখেছেন। উপজেলার উন্নয়ন ভাবনাসহ যেকোনো বিষয় সবার সাথে উন্মুক্তভাবে শেয়ার ও আলোচনা করে সবার মতামত নিতে চেষ্টা করেছেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বছর ৩১ অক্টোবর ধামইরহাট উপজেলায় যোগদান করেন তিনি এবং চার মাসের মাথায় গত ৫ মার্চ বিভাগীয় কমিশনার রাজশাহীর এক আদেশ বলে তাকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় বদলি করা হয়।

গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে আমরা দেখেছি তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের একই সাথে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ক) ধামইরহাট পৌরসভার প্রশাসক, খ) ধামইরহাট উপজেলার প্রশাসক, গ) সহকর্মী কমিশনার ভূমি এর অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং ঘ) উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বসহ প্রায় ৫টি পদের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন। 

গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে খোলামেলা আলাপকালে তিনি পৌরসভার আয় ব্যায়ের বিষয়ে বলেন, এর আগে যেখানে প্রতি মাসের পৌরকর আদায় হত গড়ে ৫ লাখ টাকার মত, সেখানে তিনি পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নভেম্বর মাসে আদায় করেছি ৯ লাখ ৫০ হাজার ৩০৮ টাকা, এছাড়াও ডিসেম্বর মাসে ৭ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৫ টাকা, জানুয়ারি মাসে ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ৩৯০, ফেব্রুয়ারি মাসে আদায় ১১ লাখ ৬১ হাজার ৫৩৮ এবং চলতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮০ টাকা। গাণিতিকভাবে তুলনা করলে দেখা যায় যা এই পৌরসভার পূর্বের পৌরকর আদায়ের প্রায় ৩গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ এর মধ্যে দিয়ে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি এও বলেন, এই আয় থেকে যেখানে পৌর মেয়রকে সরকারি সম্মানি ভাতা হিসেবে দিতে হতো মাসে ৪০ হাজার টাকা। সেখানে পৌর প্রশাসক হিসেবে এই সরকারি আয়ের ১ টাকাও প্রতিমাসের আমাকে সম্মানী দিতে হয়নি। পুরো টাকাটাই পৌরসভার উন্নয়ন কাজে ব্যয় করার পথ প্রশস্ত হয়েছে। 

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে উপজেলার আমায়তাড়া হাট-বাজার ইজারার প্রায় অর্ধেক টাকা বাকী ছিলো, যা তিনি পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে আদায় করেছেন। এছাড়াও ধামইরহাট বাজারের ইজারা মূল্যের সরকারি নির্ধারিত দরের চেয়েও এই বছর প্রায় ১২ লাখ টাকা বেশি আদায় করা সম্ভব হয়েছে শুধু এই পৌর প্রশাসকের তৎপরতায়।

এছাড়াও গত বছর এই পৌরসভার হাটের ইজারা থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যাতীত অন্যান্য আয় ছিলো ১কোটি ১৫ লাখ টাকা সেখানে চলতি বছরের ৮ মাসেই অন্যান্য আয় হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এটা শুধু এই পৌর প্রশাসকে তার বিভিন্ন রকম তৎপরতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও ইউএনও ও পৌর প্রশাসক আমাদের পৌরসভার জন্য ল্যান্ডফিল বা ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

স্যারের বদলি জনিত বিদায়ের কারণে এই কাজগুলো হয়তো গতি হারাবে বা হয়তো হবেই না। ২০০৪ সাল থেকে এই পৌরসভা গঠিত হলেও ধামইরহাট পৌরসভার নিজেদের কোনো ভবন নেই। ফলে সেবা প্রার্থীদের স্থান অভাবে সঠিকভাবে সেবা দেওয়া যায় না।

পৌর প্রশাসক স্যার জয়েন করার পরেই বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত কিভাবে পৌরসভার নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা যায় সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। স্যারের বদলি হওয়ায় পৌরসভার নিজস্ব ভবন নির্মাণ কাজ অনেকটা পিছিয়ে যাবে।

পৌর বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, মাত্র চার মাসের মধ্যে উপজেলায় দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, অবৈধ পুকুর খনন, ইটভাটা নির্মাণ ও মাদকসহ অসংখ্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মধ্য দিয়ে তিনি উপজেলায় মানবিক ইউএনও হিসেবে দুস্থ, অসহায় ও সাধারণ মানুষদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। হঠাৎ তার বিদায়ের কারণে এই কাজগুলো থমকে গেল।

মানব সেবার সভাপতি রাসেল মাহমুদ বলেন, প্রতি মাসের সপ্তাহে একদিন শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০০ জন ভিক্ষুক ও প্রতিবন্ধীদের খাবারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। বিষয়টি ইউএনও স্যার জানতে পেরে আমার সংগঠনের ভিক্ষুকদের মুখে নিজ হাতে খাবার তুলে দিতেন। 

তিনি আরও বলেন, দাপ্তরিক কাজের বাহিরে দুস্থ ও সাধারণ মানুষদের কাতারে গিয়ে নানান ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতার মধ্যে অল্প সময়ে উপজেলা সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করছে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এমন জনবান্ধব ইউএনও দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রয়োজন। তার অনাকাঙ্খিত বদলি জনিত বিদায়ের কারণে উপজেলার ভীষণ ক্ষতি হলো।

ইউএনও মোস্তাফিজুর বলেন, নওগাঁর ১১ তম উপজেলা হিসেবে ধামইরহাটকে এক নম্বর উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলায় ছিল আমার মূল লক্ষ্য। এরই ধারাবাহিকতায় অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এ উপজেলাকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে সাত জন নারীকে প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে সরকারি খরচে বিদেশে পাঠিয়েছি। যুবক এবং নারী খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে জেলা চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ অর্জন করা হয়েছে। বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এছাড়াও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জেলা এবং বিভাগে যেনো প্রথম স্থান অর্জন করতে পারে এ কারণে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস নেওয়া হয়। এতে করে শিক্ষার্থীরা যৌক্তিক মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার পাশাপাশি একজন ভালো বিতর্কিক হয়ে গড়ে উঠছিল।

তিনি আরও বলেন, উপজেলায় একটি পৌর ভবন এবং একটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা আমার ভীষণ ইচ্ছে ছিল। এ কারণে পরিদর্শন করে জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে এখন। এছাড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এবং প্রান্তিক আয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কিছুটা হলেও আর্থিক চাপ কমাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণিতে এই বছর ভর্তি হওয়া প্রায় ৩৫০০ জন শিক্ষার্থীদেরকে স্কুল ব্যাগ, খাতা সহ নানা উপকরণ দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, সময়ের অভাবে সেই কাজটি করা সম্ভব হলো না।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।