বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণহত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দুঃখজনক : আমিনুল হক

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা, যারা জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সরাসরি হত্যার নির্দেশদাতা, যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে- সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্লবী-রূপনগরে পল্লবী থানা ছাত্রদল ও রূপনগর থানা যুবদলের উদ্যোগে […]

নিউজ ডেস্ক

১০ অক্টোবর ২০২৪, ২২:২৩

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা, যারা জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সরাসরি হত্যার নির্দেশদাতা, যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে- সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্লবী-রূপনগরে পল্লবী থানা ছাত্রদল ও রূপনগর থানা যুবদলের উদ্যোগে দুটি পৃথক স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের ওপরে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার ও তাদের দোসররা, যারা জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছে, বিরোধী মত দমনে মামলা হামলা ও নির্যাতন করেছে, জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে যারা বারবার ক্ষমতার চেয়ারে বসেছে, যাদের নির্দেশনায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে অসংখ্য ছাত্র-জনতা ও বিএনপির নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, সেই শহীদদের রক্ত এখনো শুকায়নি। অথচ সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার গত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে ক্ষমতায় বসে ছিল। সেই রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলো আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তারা (আওয়ামী সরকার) এই রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলোর কোমর ভেঙে দিয়েছে। এই আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের দোসররা এখনো রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে। দেশের স্বর্থে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলোর সঠিক সংস্কারের প্রয়োজন। এজন্য সবার সহযোগিতায় আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সকল যন্ত্রগুলো ঢেলে সাজাতে হবে। নইলে এর সুফল পাওয়া যাবে না।
আমিনুল হক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ব। বিএনপি জনগণের দল, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি রাজনীতি করে এবং জাতির সকল ক্লান্তিলগ্নে বিএনপি সব সময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সামনে সুন্দর পরিবেশে জনগণের ভোটের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে এবং সেই সরকার জনগণের কথামতো চলবে।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মাহাবুব আলম মন্টু, রূপনগর থানা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাধারণ সম্পাদক মহসিন সিদ্দিকী রনি, মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক লাইলী বেগম, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কামাল হুসাইন খান, সিনিয়র সহসভাপতি আশরাফ আলী গাজী, পল্লবী থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আবু তৈয়ব, রূপনগর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মজিবুল হক, যুগ্ম আহবায়ক শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, অলিউল হাসানাত তুহীন, খায়রুল আলম নয়ন, যুবদল পল্লবী থানা সভাপতি হাজী নূর সালাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি ফরহাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. তপন, সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক, যুবদল রূপনগর থানা সভাপতি সোয়েব খান, সাধারণ সম্পাদক হাদিউল ইসলাম রাজীব, সিনিয়র সহসভাপতি মো. নাঈম, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সিজার খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম নীরব, রূপনগর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান রনি, মহিলা দল পল্লবী থানা সভাপতি লাকী রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা দিলারা পলি, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শফিকুর রহমান মামুন, সাধারণ সম্পাদক খোকন মাদবর, সিনিয়র সহসভাপতি ইমরান মুন্সি, যুবদল নেতা জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২