মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শীঘ্রই ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন, দ্রুতই বিচারকাজ শুরু : আসিফ নজরুল

দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির পর তিন-চার দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বুধবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। আসিফ নজরুল বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু করার বিষয়ে একটা বড় অগ্রগতি আজ হয়েছে। কারণ আজ অনেক […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০২৪, ২১:৪৪

দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির পর তিন-চার দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বুধবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু করার বিষয়ে একটা বড় অগ্রগতি আজ হয়েছে। কারণ আজ অনেক নতুন বিচারক (হাইকোর্টে) নিয়োগ হয়েছে।
আমরা যখন ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগের জন্য বলতাম তখন বলা হতো বিচারক সংকট রয়েছে। আশা করি, সংকটটা দূর হয়েছে। এখন ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ হলে আমাদের কাজের একটা অগ্রগতি হবে।’
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করছে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘যতটুকু জানি তারা (প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা) বিশ্বাসযোগ্য মামলা উপস্থাপনে বেশ কিছু আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে ফেলেছে।
আমরা বিচার করব।’
ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারসংক্রান্ত এক প্রশ্নে আসিফ নজরুল বলেন, ‘কে উপস্থিত আর কে অনুপস্থিত, সেটা দেখার বিষয় নয়। আমাদের আইনে অনুপস্থিত ব্যক্তির বিচারের বিধান আছে। তিনি যে দেশে গেছেন, সেই দেশের সঙ্গে যদি আমাদের প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকে তাহলে তাকে আমরা প্রত্যর্পণ করা বা দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য চিঠি লিখতে পারি।
আমাদের সব অপশন খোলা আছে। তবে বিচার করার লক্ষ্যে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাসখানেকের মধ্যে হয়তো আমরা ফুল স্কেলে (পুরোদমে) বিচার বিচার শুরু করতে পারব। সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন হয়ে যাবে। ছুটির পর ৩-৪ দিনের মধ্যে এটা হয়ে যাবে।
শেখ হাসিনা সরকারের অনুগত হয়ে কাজ করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবি উঠেছে আইনজীবীদের থেকে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘বিচারকদের সরানোর বিয়টি আমাদের সিদ্ধান্ত নয় বা আমাদের দাবি নয়। ছাত্র-জনতা যারা আন্দোলন করেছিল, যারা এই মহান জুলাই গণবিপ্লব করেছিল তারা মনে করছে কোনো কোনো জজ ফ্যাসিস্ট শক্তির হয়ে কাজ করেছেন। ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের প্রতিপক্ষ ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, এর আগেও যে সড়ক আন্দোলন (নিরাপদ সড়ক আন্দোলন) হয়েছিল, তখন তাদের (বিচারকদের) ভূমিকা ছিল ফ্যাসিস্ট শক্তির পক্ষে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের বিপক্ষে। মানবাধিকারপ্রত্যাশী মানুষের বিপক্ষে। ফলে তারা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে বলছেন।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা ছাত্র-জনতার ইচ্ছার ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তাই করি না। যেহেতু গণতান্ত্রিক দেশ সেহেতু তারা তাদের (ছাত্র-জনতা) ইচ্ছার কথা বলছেন। যাদের বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে, এটা তাদের ব্যাপার। তারা (বিচারকরা) তাদের মত করে ভাববেন, তারা (বিচারকরা) কী করবেন।’
সুপ্রিম কোর্ট আইন মন্ত্রণালয় থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটা প্রশাসন উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে যারা অভিভাবক (প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের বিচারপতি) আছেন, তারা যথেষ্ট জ্ঞানী, যথেষ্ট সম্মানিত, যথেষ্ট পরিণত। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তারা কী ব্যবস্থা নেবেন, সেটা তারাই বিবেচনা করবেন। আমরা কিছু বলে দিতে পারব না।’

সোশ্যাল মিডিয়া

হাসনাতকে মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করার পরামর্শ : ভারতীয় সাবেক কর্ণেল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৯

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির পরবর্তী টার্গেট হতে পারেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টে তিনি কোথায় গুলি করা উচিত—সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বক্তব্যে বলা হয়, “মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করতে হবে। প্রথমে তাকে নিশ্চুপ করতে হবে।” এমন মন্তব্যকে অনেকেই সরাসরি মৃত্যুহুমকি হিসেবে দেখছেন।

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশের একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মিডিয়া হ্যান্ডলার দাবি করেন, এটি কোনো সাধারণ মতামত নয়; বরং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি। কেউ কেউ ইনকিলাব মঞ্চের নেতা হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার সঙ্গেও এই বক্তব্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—একজন সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকের এমন বক্তব্যের দায় ভারতীয় কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মহল এড়াতে পারে কি না। বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সংবেদনশীলতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টিকে তুচ্ছ আখ্যা দিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘বাড়াবাড়ি না করার’ পরামর্শ দেন, নতুবা উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২