গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেছেন, ‘২৪ সালে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা একটি বিজয় অর্জন করেছি। ছাত্র জনতার ঐক্যকে বিনষ্ট করতে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, এদেশে দখলদারিত্ব চলবে না। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে দখলদারিত্ব চলছে।
তিনি বলেন, ‘অভিযোগ রয়েছে গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাদের এলাকায় ফেরাচ্ছেন বিএনপির পরিচয়ধারী এক শ্রেণীর লোক। আমরা স্পস্ট করে বলছি, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপির ব্যবস্থা নিতে হবে। বিএনপি আমাদের মিত্র, গত ১৫ বছরে বিএনপি গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যারা চাঁদাবাজি করছে,দখলদারি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপিকে প্রমাণ করতে হবে দারা মুদ্রার “ওপিঠ” নয়।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় দলের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নে এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘গতকাল কক্সবাজারে একজন সেনা অফিসার দূর্বত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন, এটা সামান্য কোনো বিষয় নয়। পাশের দেশোর গোয়েন্দা সংস্থা এখনো এই দেশে তৎপর। তারা বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
তাদের এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা বিভক্ত হয়ে গেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা সুযোগ নিতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ আগামীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে কিংবা ক্ষমতার অংশীদার হলে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ দেবে। দেশের বেকারত্ব কমানোর জন্য নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের নামমাত্র সুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।’
ভৈরব উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ইমতিয়াজ কাজলের সভাপতিত্বে ও ছাত্র নেতা জুনায়েদ সরকারের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন-সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ অর্থ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান উজ্জ্বল, কিশোরগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, কটিয়াদি উপজেলার আহ্বায়ক মহসিন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল, বাজিতপুর উপজেলার নেতা হুমায়ুন আহমেদ ও ইকবাল হাসান।