বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এপ্রিলে সবাইকে একসাথে খেয়ে দেয়ার একটা পরিকল্পনা চলছে

দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লেখক ও জনপ্রিয় পুষ্টিবিদ মুহাম্মদ সজল। আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত দুই দিনে তিনটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, কুয়েটের ছাত্রদের ওপর ছাত্রদল-যুবদলের হামলা, শিবিরের সদস্যদের দ্বারা এমসি কলেজের এক ছাত্রের নির্যাতন এবং ছাত্রদলের হাতে তামিরুল মিল্লাতের শিবির নেতা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়েও […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৫৯

দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লেখক ও জনপ্রিয় পুষ্টিবিদ মুহাম্মদ সজল। আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত দুই দিনে তিনটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, কুয়েটের ছাত্রদের ওপর ছাত্রদল-যুবদলের হামলা, শিবিরের সদস্যদের দ্বারা এমসি কলেজের এক ছাত্রের নির্যাতন এবং ছাত্রদলের হাতে তামিরুল মিল্লাতের শিবির নেতা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটছে এবং এর সঙ্গে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে। তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করে ড. ইউনূসের আয়নাঘরে যাওয়া, এস আলমসহ অর্থনৈতিক মাফিয়াদের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি এবং র‍্যাব কর্মকর্তা আলেপউদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের প্রমাণ মেলার মতো ঘটনাগুলোও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি করছে।

সজল আরও বলেন, গত দুই দিনে ৫৫ জন ডিসি ও সচিবকে ওএসডি বা ফোর্সড রিটায়ারমেন্টে পাঠানো হয়েছে, যা প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। তিনি দাবি করেন, এসব ঘটনার পেছনে বাংলাদেশের “প্রো-ইন্ডিয়ান” শক্তিগুলোর ভূমিকা রয়েছে, যারা সরকারকে সীমিতভাবে ব্যর্থ করে ডিসেম্বরে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, প্রশাসন ও বাহিনীর ভেতরে থাকা কিছু শক্তিশালী গোষ্ঠী সরকারকে আরও বড় ধরনের ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিতে চায়।

তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশে যারাই অস্ত্রের রাজনীতি করছেন, তারা একটা ব্যাপার জেনে রাখেন, এপ্রিলে সবাইকে একসাথে খেয়ে দেয়ার একটা পরিকল্পনা চলছে।

তার মতে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোই প্রথম ধ্বংস হবে, এরপর সাধারণ জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সবশেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়বে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব ইতিহাসে ব্যর্থ রাষ্ট্রগুলোর সামরিক বাহিনীর পরিণতি কী হয়েছে, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা উচিত।

তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক কৌশলগত দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে, যেখানে বিএনপি চাইছে জামায়াত-শিবির তাদের পেশিশক্তি ব্যবহার করুক, যাতে তাদের বাড়তে থাকা “সফট পাওয়ার” দমিয়ে রাখা যায়। অন্যদিকে, বিএনপিকে ব্যবহার করে গভীর রাষ্ট্রের (ডিপস্টেট) পরিকল্পনা হলো তাদের জনপ্রিয়তা কমিয়ে ভারতীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অধীনে রাখার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা।

সজল তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ভারতের সম্ভাব্য চারটি পরিকল্পনা রয়েছে—

১. প্ল্যান এ: শেখ হাসিনাবিহীন আওয়ামী লীগকে প্রথমে বিরোধী দলে পাঠিয়ে পরে পুনরায় ক্ষমতায় আনা।
২. প্ল্যান বি: প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে একটি ভারতপন্থী সামরিক-সিভিল ব্যুরোক্র্যাট সরকার প্রতিষ্ঠা।
৩. প্ল্যান সি: দেশে গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পরিস্থিতি তৈরি করা।
৪. প্ল্যান ডি: বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে জামায়াতকে ভারতপন্থী গোষ্ঠী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যাতে তারা নিয়ন্ত্রিত বিরোধী দল হিসেবে টিকে থাকে।

তার মতে, এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের জনগণ যে নতুন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছিল, তা ভেঙে যাবে এবং তারা রাষ্ট্রহীন শরণার্থীতে পরিণত হবে।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

বেরিয়ে এলো ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ডের নাম সামনে এসেছে। হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’র নাম উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, কিলিং মিশন বাস্তবায়নে অর্থ এবং অস্ত্রের জোগানদাতা ছিলেন তিনি নিজেই। এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসাবে আরও কয়েকজনের যোগসূত্রতা […]

বেরিয়ে এলো ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

বেরিয়ে এলো ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:০৭

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ডের নাম সামনে এসেছে। হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’র নাম উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, কিলিং মিশন বাস্তবায়নে অর্থ এবং অস্ত্রের জোগানদাতা ছিলেন তিনি নিজেই। এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসাবে আরও কয়েকজনের যোগসূত্রতা জানতে পেরেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। যাদের কয়েকজন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল একটি সূত্র।

সূত্র জানায়, শাহীন চেয়ারম্যান ছাড়াও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী হাদির ওপর হামলার পর ঘাতকদের ঢাকা থেকে সীমান্ত পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন এই হামিদ। জুলাই বিপ্লবে শরিফ ওসমান হাদির ভূমিকা এবং গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে তার বিভিন্ন বক্তব্য ও সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ চরম ক্ষুব্ধ ছিল। দলটি হাদিকে আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের জন্য বড় বিপদ হিসাবে চিহ্নিত করে। এরপর হিটলিস্টের প্রথম টার্গেট হিসাবে হাদিকে হত্যার ছক কষা হয়।

জানা যায়, শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তবে তিনি মাফিয়া ডন হিসাবেই বেশি পরিচিত। শেখ হাসিনা আমলে তিনি ছিলেন সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ডানহাত। চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী হিসাবে তার নাম পুলিশের খাতায় অনেক আগে থেকে তালিকাভুক্ত ছিল। বহুবিধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বরং প্রশাসন তাকে সমীহ করে চলত। এসব প্রভাব প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়ে তিনি একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের মতো শাহীন চেয়ারম্যানও সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যেতে সক্ষম হন। সেখানে পলাতক অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকলেও গত ৩-৪ মাস থেকে খোলস ছেড়ে পুরোনো চেহারায় আবির্ভূত হন। সম্প্রতি তিনি দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগের হিটলিস্ট প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন অ্যাপসে মুঠোফোনে দেশে থাকা স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল এবং খুদেবার্তার (এসএমএস) সূত্রে হাদি হত্যায় শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ঘটনার আগে ও পরে কিলারদের সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের একাধিকবার যোগাযোগ করার প্রমাণও মিলেছে। এছাড়া ভারতে পলাতক থাকা আরও কয়েকটি গ্রুপ অ্যাপস ব্যবহার করে ঢাকায় জড়ো স্লিপার সেলের সদস্যদের কাজ সমন্বয় করছে। যাদের অনেকে এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে চলে এসেছে। কানের ডাক্তার তাহের পপুলার

সূত্র বলছে, হাদি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এজন্য গ্রেফতারকৃত আসামিদের তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার টিমসহ যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া পলাতক শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত কেরানীগঞ্জ জেলার দুজন ছাত্রলীগ নেতাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাতে বলেন, ‘আমরা সবদিক মাথায় রেখে তদন্ত করছি। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করি খুব শিগগিরই এ ঘটনার মাস্টারমাইন্ডসহ পরিকল্পনাকারীদের সবার নামই জানা সম্ভব হবে।’

জাতীয়

তারেক রহমানের ফেরার দিন উপলক্ষে মা‌র্কিন দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন—এ তথ্য বিএনপি এবং তারেক রহমান নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তাকে স্বাগত জানাতে দলটির পক্ষ থেকে বড় পরিসরে কর্মসূচির প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, গণমাধ্যমের তথ্য […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:৪২

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন—এ তথ্য বিএনপি এবং তারেক রহমান নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তাকে স্বাগত জানাতে দলটির পক্ষ থেকে বড় পরিসরে কর্মসূচির প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানমুখী সড়কগুলোতে বিএনপির বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, এই কর্মসূচি তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে। এ কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। সেদিন ঢাকা শহর বা আশপাশে যাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে, তাদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে বের হওয়ার এবং বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের তাদের বিমান টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে পুলিশ চেকপয়েন্টে এসব নথি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।