কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ভারতের সাথে আবার যুদ্ধের কথা বলেছিলেন। তার কথা যে শুধু বলার জন্য বলা ছিল না তার প্রমাণ দেখা গেল। এবার চূড়ান্ত উত্তেজনা দেখা দিয়েছে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে। দুই দেশের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে হয়েছে প্রচন্ড গোলাগুলির ঘটনা।
ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে অস্থির এবং উত্তেজনাপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের ইতিহাস নানা সংকটের সাক্ষী, যা কখনো কখনো পরিণত হয়েছে সংঘর্ষে। বর্তমানে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আবারও একটি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভারত এবং পাকিস্তান, দুটি দেশ যা ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করে আসছে। কাশ্মীরের বিতর্কিত অঞ্চল, সীমান্তে সংঘর্ষ এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা—এই সবই দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা বাড়িয়ে চলেছে।
পরমাণু অস্ত্রের মালিকানা অর্জনও পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে, কারণ দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।
সম্প্রতি, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষ করে কাশ্মীর অঞ্চলে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাবারুদ বিনিময় বেড়ে গেছে। পাকিস্তান কাশ্মীরের স্বাধীনতার পক্ষে কড়া অবস্থান নিয়েছে এবং ভারত কাশ্মীরের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা রক্ষা করতে চায়।
এ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে যখন পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতকে একঘরে করার চেষ্টা করছে।
এছাড়া, পাকিস্তান চীনের সাথে তার সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে, যা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমান্তে ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান এবং মিসাইলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্র হয়েছে।
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা শুধু দুই দেশের জন্যই বিপজ্জনক নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশই পরমাণু অস্ত্রধারী হওয়ায়, যুদ্ধের পরিস্থিতি সংঘর্ষের চেয়ে অনেক বেশি বিপর্যয়কর হতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এই সংকটের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?