সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাবার কবরের পাশে’ই ঠাঁই হয়েছে ‘প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ’ আবুল কাশেম এর

গাজীপুরে প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আবুল কাশেমের শেষ ঠাঁই হয়েছে বাবার কবরের পাশে বরই গাছ তলায়। বৃহষ্পতিবার বাদ জোহর সর্বশেষ জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার পারিবারক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানা গেছে, গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ধীরাশ্রমের দাক্ষিণখান এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:০০

গাজীপুরে প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আবুল কাশেমের শেষ ঠাঁই হয়েছে বাবার কবরের পাশে বরই গাছ তলায়। বৃহষ্পতিবার বাদ জোহর সর্বশেষ জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার পারিবারক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ধীরাশ্রমের দাক্ষিণখান এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ. ক. ম. মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে ঘটনাস্থলে যায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র জনতা। এসময় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে।

তারা বেশ কয়েকজনকে আটক করে বেধড়ক মারধোর করে ও কোপায়। এতে আবুল কাশেমসহ ১৭ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

পরে সেখান থেকে ওই রাতেই গুরুতর আহত মোঃ কাশেম (১৮)সহ ৭জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর হয়। ঢামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আই সি ইউ) ১৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর খবরে রাতেই গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র জনতা। এতে আবারো উত্তাল হয়ে উঠে গাজীপুর।

এদিকে বুধবার রাত ১১টার দিকে ঢাকা থেকে লাশবাহী একটি ফ্রিজিং গাড়িতে করে নিহত আবুল কাশেমের লাশ তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। পিতা-মাতা হারানো প্রিয় আবুল কাশেমের লাশ দেখে স্বজনেরাসহ বন্ধু ও এলাকাবাসিরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

তাদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। এসময় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠণের নেতা-কর্মীসহ এলাকাবাসি এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় গাজীপুর শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে আবুল কাশেমের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠণের ব্যক্তিবর্গসহ শত শত লোক উপস্থিত ছিলেন।

পরে তার লাশ নেওয়া হয় মহানগরীর ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বোর্ডবাজারের আল-হেরা ফিলিং স্টেশন মাঠে। বাদ জোহর আরো একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ এ জানাজা শেষে তাকে দক্ষিণ কলেশ্বর এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের ডান পাশে বরই গাছ তলায় দাফন করা হয়।

ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ডা. নাজমুল করিম খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদ, গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সদর মেট্রো থানা জামায়াতের আমীর সালাহ উদ্দিন আইউবী, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মোঃ হোসেন আলী, সদর মেট্রো বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মেহেদী হাসান এলিস, টঙ্গী পশ্চিম থানার বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির আহমেদ, জেলা হেফাজত ইসলামের যুগ্ন সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী তৃণমূল মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাড. নজরুল ইসলাম বিকি প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য ইমতিয়াজ আহমেদ তানভীর ও জেলা শাখার সদস্য সচিব নাসেরও বক্তব্য রাখেন।

এদিকে জিএমপি’র সদর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ৭ ফেব্রুয়ারির ঘটনায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের গাজীপুর জেলার আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মুহিম বাদী হয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ২৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২শ’ থেকে ৩শ’ জনকে আসামী করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আহত আবুল কাশেমের মৃত্যুতে আগের মামলার সঙ্গে নতুন করে এটি হত্যা মামলা সংযুক্ত করা হবে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।