মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্বাহী অফিসার এর নামে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷ ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:২২

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷

ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য, তালা এবং পাটকেলঘাটার সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদেরকে ডাকা হয়, সেই প্রেক্ষিতে প্রায় ৩০ জন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল লটারির মাধ্যমে পত্রিকা নির্বাচন করেন ৷ 

এ সময় তালার কালবেলা পত্রিকার তালা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন, কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন এটি লটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, যার নাম লটারিতে উঠবে সেই পত্রিকা বিজ্ঞাপন যাবে, এ সময় কালবেলা সাংবাদিক কে এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য ইউএনও সাহেবকে বলেন, তখনো লটারি সংগঠিত হয়নি, তিনি কোন কিছু না বুঝে কালবেলার অফিস কর্তৃক ইউএনও সাহেবের কাছে ফোন করান ৷ এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিক বিব্রত বোতসহ অসম্মান বোধ করেন, এর ভিতর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে কয়েকজন প্রতিবাদ করেন ৷

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকলকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন ৷ বিষয়টি তখনই মিটে যায়, এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিকের মতামতের ভিত্তিতে অত্যন্ত সুক্ষ সঠিকভাবে লটারি করা হয় ৷ তালা ইউএনও কর্তৃক কালবেলা সাংবাদিককে কোন প্রকার হেনেস্তা করা হয়নি ৷ এ ঘটনায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সুশীল সমাজ, সকল সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলা সকল পর্যায়ের জনগণ কালবেলা অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় নিন্দা প্রতিবাদ জানান ৷

জানা যায়, কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী কে এম শাহিনুর রহমান তথাকথিত চরমপন্থী ক্যাডার, ১৯৯০ সালের দিকে তালা উপজেলায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য তৈরি হয়। এসময় সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের কে. এম. শাহিনুর রহমান তালায় এসে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডার হিসেবে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজী, ডাকাতি, ঘের দখল,

ছিনতাই সহ নানাবিধ অপরাধে লিপ্ত হয়। বিগত কিছুদিন ধরে সে বর্তমান সরকার ও বৈষম্য বিরোধি আন্দোলনের ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা শুরু করেছে। তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ অতিষ্ঠতলা উপজেলার মানুষ ৷

এসব বিষয়ে তালায় কর্মরত দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ একাধিক সাংবাদিক জানান, চরমপন্থী ক্যাডার ও পেশাদার চাঁদাবাজ শাহিনুর রহমান নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে তালায় এসে কৌশলে সাংবাদিকের সাইন বোর্ড ধারন করে,

নানান অপরাধ ঘটিয়ে এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। সাংবাদিক পরিচয়ে সে জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিম্মি করে বেপরোয়া চাঁদাবাজী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের গাছ চুরি, নিরিহ ও সম্মানিত মানুষদের অসম্মানিত করে টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ নানান অপরাধ করে এখানকার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করছে ৷ 

তার অত্যাচারে সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। 

এবিষয়ে তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মীর জাকির হোসেন জানান, কে. এম. শাহীনুর রহমান একজন পেশাদার চাঁদাবাজ, চরমপন্থী দলের ক্যাডার ও প্রতারক। আমাদের রিপোর্টার্স ক্লাবে একসময় সরল বিশ্বাসে তাকে সদস্য করা হয়। পরে তার অপরাধমুলক কাজের বিষয় জানতে পেরে ক্লাব থেকে শাহিনকে স্থায়ী বহিস্কার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে তালার অন্য একটি সাংবাদিক সংগঠনের সাথে জড়িত

এ বিষয়ে তালা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোহাম্মদ রাসেল অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ মেনে নেওয়া যায় না, আমি কালবেলার প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

এবিষয়ে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আকবর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামিম খান, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু সহ তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বলেন, কালবেলার সাংবাদিক কে. এম. শাহীনের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে।

নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে না পেরে তালা উপজেলার একজন দক্ষ, সৎ, নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোযাট তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট,  

আমরা উক্ত সংবাদেরর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ৷

এ বিষয়ে তালা উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা তাওহিদুর রহমান বলেন, তালা উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ রাসেল অত্যন্ত ভালো মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি, ইউএনও সাহেবের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।