মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান ও তার  সমর্থক গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দর বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল

আ’লীগ দোসরদের ফেইসবুক কর্মসূচির প্রতিবাদে তারাকান্দা উপজেলায় ফেসিস্ট রক্তচুষা  আ.লীগের  নৈরাজ্য ও  বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবং আঁতাত করে চলা  লালচোখের বৃত্তের সন্ত্রাসী আ’লীগদের  গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেন –বারবার  কারা নির্যাতিত বিএনপি’র পরীক্ষিত প্রবীণ নেতা এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান ও তার  সমর্থক গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ। এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান  তারাকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, বিএনপির সাবেক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৫৬

আ’লীগ দোসরদের ফেইসবুক কর্মসূচির প্রতিবাদে তারাকান্দা উপজেলায় ফেসিস্ট রক্তচুষা  আ.লীগের  নৈরাজ্য ও  বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবং আঁতাত করে চলা  লালচোখের বৃত্তের সন্ত্রাসী আ’লীগদের  গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেন –
বারবার  কারা নির্যাতিত বিএনপি’র পরীক্ষিত প্রবীণ নেতা এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান ও তার  সমর্থক গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ।

এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান  তারাকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক,ময়মনসিংহ (উঃজেলা) যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন একজন দায়িত্বশীল দক্ষ দেশ প্রেমিক  ও আদর্শ ক্লিন ইমেজের  রাজনীতিবিদ হয়ে।

৮ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) বেলা ৫টায় আ’লীগ দোসরদের ফেইসবুক কর্মসূচির প্রতিবাদ মিছিলটি গরুহাটা হতে যাত্রা শুরু করে  স্লোগান মুখরিত  মিছিল নিয়ে নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনার হয়ে হালুয়াঘাট টু  ময়মনসিংহের তারাকান্দার মহা সড়কের রাজপথ প্রদক্ষিণ করে।

মিছিলটি তারাকান্দা উপজেলা  ভবনের মহাসড়ক  হয়ে মোর নিয়ে – আওয়ামী লীগের দোসরা হুশিয়ার সাবধান এই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে রাজপথ কাপিয়ে  ঐতিহাসিক কড়ুইতলার শহীদ মিনারের চত্বরে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

শহীদ মিনারের মিনারের  মুক্ত মঞ্চের চারপাশে শত জনতার ঢলের মাঝে এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান। 

৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের আগে ও পরে তিনি এখন পর্যন্ত এই তারাকান্দা উপজেলায় আদর্শ ক্লিন ইমেজের প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসাবে জনমনে আজও পরিচিত এ.এফ. এম. ওয়াহিদুজ্জামান। 

আ’লীগ দোসরদের ফেইসবুক কর্মসূচির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রতীষ্ঠা লাভ করছেন । এই সরকারের কাজ হলো দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দেওয়া। একটি অবাধ,নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন না দেওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে রাজপথে থাকতে হবে। আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতীষ্ঠার লক্ষ্যে দেশনায়ক  তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ষোলটি বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। অনেক জেল জুলুমের শিকার হয়েছি। নির্বাচনের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো। এই সরকারের আমলে মানুষ সুখে নাই, শান্তিতে নাই। জনগণ সুন্দর একটা নির্বাচন চায়। নির্বাচনের কথা বললেই তারা কেনো জানি তাদের কমড় মোচড়াচ্ছে।

৩নং কাকনি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও বিএনপির পরিক্ষিত নেতা মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে আয়োজন করেন তারাকান্দা উপজেলা  বিএনপি একাংশ  ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে গর্জে  উঠে আরোও  বলেন, অতি দ্রুত বিএনপির সাথে আঁতাত করে চলা হাইব্রিড  রক্তচুষা আ’লীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থের জন্য কোন প্রকার ছলাকলা চলবে না। তারাকান্দার জনগণ সব বুঝে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।