বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি পাঁচ কোটি টাকার ব্রিজের নির্মাণ কাজ, লাখো মানুষের দুর্ভোগ চরমে

রাশিমুল হক রিমন আমতলী প্রতিনিধি আড়পাঙ্গাশিয়া নদীতে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৮ টাকার ব্রিজের নির্মাণ কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে বরগুনা-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর প্রভাবখাটিয় সাব-ঠিকাদার মোঃ সগির হোসেন কাজ না করে বছরের পর বছর ফেলে রেখেছেন। এতে আমতলী ও তালতলী উপজেলার লাখো মানুষ চরম ভোগান্তির […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০২:১৭

রাশিমুল হক রিমন আমতলী প্রতিনিধি

আড়পাঙ্গাশিয়া নদীতে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৮ টাকার ব্রিজের নির্মাণ কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে বরগুনা-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর প্রভাবখাটিয় সাব-ঠিকাদার মোঃ সগির হোসেন কাজ না করে বছরের পর বছর ফেলে রেখেছেন। এতে আমতলী ও তালতলী উপজেলার লাখো মানুষ চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। দ্রুত এ ব্রীজের নির্মাণ কাজ সমাপ্তের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। 

জানাগেছে, আমতলী থেকে তালতলী উপজেলা সড়ক পথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম তালতলী সড়ক। ৪০ কিলোমিটার এই সড়কটির আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর উপর ১৯৮৫ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে। এ ব্রিজ দিয়ে দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পারাপার হয়। দুই উপজেলার সেতুবন্ধন ওই ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা ও তালতলীগামী পরিবহন বাস, আইসোটেক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাভার ভ্যান, ট্রাক, প্রাইভেট কার, মাহেন্দ্র, ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা ও মোটর সাইকেলসহ কয়েক সহস্রাধীক গাড়ী চলাচল করে। ব্রিজটি ২০১০ সালে নরবরে হয়ে পড়ে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বেশ কয়েকবার সংস্কার করেছে। ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে ওই নদীতে গাডার ব্রীজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিপ্তর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য আরসিসি গাডার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব পাশ করেন। ওই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর দরপত্র আহবান করে। পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৮ টাকা বরাদ্দ হয়। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার টিএনএএসআই জেডি নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওই কাজ পায়। দরপত্রে উল্লেখ আছে ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল কাজ শুরু করে ২০২১ সালের ৩০ মার্চ কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু ঠিকাদারী কোম্পানী ওই ব্রিজের কাজ বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সদস্য বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সগির হোসেনের কাছে বিক্রি করে। অভিযোগ রয়েছে সাব- ঠিকাদার মোঃ সগির হোসেন তৎকালিক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর প্রভাব খাটিয়ে ব্রিজের নির্মাণ কাজ না করে ফেলে রাখেন। প্রথম দফায় কাজের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর তিনি ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে কাজ শুরু করেন। নদীর দুই কিনারে দুইটি গাডার কাজ অসমাপ্ত রেখেই কাজ বন্ধ করে দেয়। কাজ না করেই তিনি প্রভাব খাটিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন। এরপর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি ব্রিজের নির্মাণ কাজ করেনি। গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলন ফ্যাসিস্ট শেষ হাসিনা পালিয়ে গেলে সাব-ঠিকাদার মোঃ সগির হোসেন আত্মগোপনে যান। গত পাঁচ বছর ধরে ব্রিজ নির্মাণ কাজ না করায় আমতলী-তালতলী দুই উপজেলার লক্ষাধীক মানুষ চরম ভোগান্তিতে পরেছে। পাশের নরবরে বেইলি ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। 

বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর দুই পাড়ে দুইটি গাডার নির্মাণ করা আছে। ওই গাডার দুটিতে ময়লা আর্বজনায় একাকার হয়ে আছে।   

আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মোঃ হুমায়ূন কবির হাওলাদার বলেন, ঠিকাদার ব্রিজের কাজ না করে বছরের পর বছর ফেলে রেখেছে। এতে দুর্ভোগে পরেছে দুই উপজেলার অন্তত লক্ষাধিক মানুষ। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ কাজ সমাপ্তির দাবী জানান তিনি। 

ছোটবগী গ্রামের মোঃ নজরুল বিশ্বাস বলেন, কয়েক বছর ধরেই ব্রিজের দুইটি গাডার নির্মাণ করে ফেলে রেখেছে। নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে নরবরে বেইলি ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। 

বাস গাড়ী চালক মোঃ মজিবুর রহমান বলেন,ব্রিজ নির্মাণ না করায় খুবই ভোগান্তির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ কাজ সমাপ্তির দাবী জানান তিনি।  

সাব-ঠিকাদার মোঃ সগির হোসেন বলেন, ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, ঠিকাদার সগির হোসেনকে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। দ্রুত কাজ না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, ঠিকাদার ব্রিজ নির্মাণ কাজের বেশ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন। তবে কত টাকা নিয়েছেন তা আমি জানিনা। বরগুনা নির্বাহী প্রকেীশল অফিস ভালো জানেন।  

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

বরগুনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, দীর্ঘদিন আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর গাডার ব্রিজের কাজ বন্ধ আছে তা ঠিক কিন্তু বর্তমানে ঠিকাদার কাজ শুরু করেছেন। আশা করি এবার ব্রিজের কাজ শেষ হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।