বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশই বাড়ছে ইউনুস সরকারের

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, অভ্যুত্থানে সক্রিয় সব রাজনৈতিক দল এবং গণমানুষের সমর্থন পাওয়া এই সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশের মানুষের ইতিবাচক প্রত্যাশার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের শক্তিশালী বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে সরকারকে সবরকম […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৪, ১৩:৪৮

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, অভ্যুত্থানে সক্রিয় সব রাজনৈতিক দল এবং গণমানুষের সমর্থন পাওয়া এই সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশের মানুষের ইতিবাচক প্রত্যাশার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের শক্তিশালী বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে সরকারকে সবরকম সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণের পর থেকেই সরকারকে সমর্থন দিতে শুরু করেন বিশ্বনেতারা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় জানায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হওয়ার পর প্রতিবেশী দেশ ভারতের সমর্থন নিয়ে সংশয় থাকলেও শপথ গ্রহণের পরপরই সর্বপ্রথম সরকারকে অভিনন্দন জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দেন একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বনেতৃত্ব এই সরকারকে স্বাগত জানান এবং যে কোনো উপায়ে সহযোগিতা দিতে নিজেদের প্রস্তুতির কথা ব্যক্ত করেন। গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য মাঠ প্রস্তুত, যে মৃত্যু ও সহিংসতা ঘটেছে, তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। দেশের গণতান্ত্রিক পথ এবং বাংলাদেশের জনগণ ও যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই সরকার কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিশ্বনেতারা।

সবার আগে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য উভয় দেশের জনগণের যৌথ আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের জন্য গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে নিজেদের চাওয়ার কথা সরকারকে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সহিংসতা বন্ধের জন্য ড. ইউনূসের আহ্বানকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাগত জানিয়েছে। দেশ পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে ফ্রান্স। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জনগণ প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো উপায়ে সহযোগিতা দিতে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের জটিল এ কাজে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিশ্বনেতারা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন সরকারের সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় জানিয়েছে। ছাত্রজনতার বিক্ষোভ দমনে শেখ হাসিনা সরকারের করা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞের তদন্তে এরই মধ্যে জাতিসংঘের একটি প্রাথমিক কারিগরি দল বাংলাদেশ সফর করছে। এসবই প্রমাণ করে আন্তর্জাতিক মহলকে খুব ভালোভাবেই বাংলাদেশ পাশে পাচ্ছে।

আবার জনগণের দিক থেকেও এই সরকারের প্রতি ইতিবাচকতা লক্ষ্য করা গেছে। জনগণ মনে করছে, এই সরকারকে সফল করা দরকার। কারণ আগের সরকারগুলোর প্রতি জনগণের ভেতর যে হতাশা তৈরি হয়েছিল, তারা হয়তো ভাবছে এই সরকারকে সমর্থন দিলে তারা ঠিকভাবে রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের কাজগুলো করবে। এই সরকার বাংলাদেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারবে। সরকার জনগণের দিক থেকে সেই সুবিধাটা পাচ্ছে। এই সুবিধা পুরোপুরি পেতে হলে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে যেতে হবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. হুমায়ূন কবির  বলেন, ‘বাংলাদেশর বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করার একটা শুভ ইচ্ছা বাইরের পৃথিবীর আছে। এটি আমাদের জন্য ইতিবাচক। আমাদের নিজেদের সক্ষমতাকে স্থিতিশীল করে তাদের শুভ ইচ্ছাকে যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি, তাহলে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনীতিকরণের কারণে। এই যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেটা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের অভ্যন্তরীণ যে সক্ষমতা দরকার, আপাতদৃষ্টিতে সেখানে খানিকটা ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ছাড়া এই ঘটনার আগে থেকেই আমরা একটা অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। অর্থনৈতিক দিক থেকে আমরা একটা চাপের মধ্যে আছি। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটটা স্থিতিশীল হওয়া পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জটা থাকবে। অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার জন্য যে কাঠামো পরিবর্তনগুলো এখন হচ্ছে, সেটার ফলাফল পেতে কিছু সময় লাগবে। এই সময়টা যে কোনো সরকারের জন্যই চ্যালেঞ্জের।’

সংস্কারের জন্য সরকারকে সময় দিতে হবে জানিয়ে ড. হুমায়ূন বলেন, ‘পুলিশে পরিবর্তন হচ্ছে, সিভিল সার্ভিসে পরিবর্তন হচ্ছে, ব্যাংকিং সেক্টরে সংস্কার করা হচ্ছে। এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে যাদের বসানো হচ্ছে, সেগুলো স্থিতিশীল হতে কিছু সময় লাগবে। যে সময়টা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত পরিবর্তনের একটা জটিলতা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কারের চাপ রয়েছে। বাইরের দেশের কাছে আমাদের অবস্থানের বাস্তব ছবি তুলে ধরার জন্য যে কাজটা দরকার, এই মুহূর্তে সরকার সেই কাজটা করার জন্য যথেষ্ট সময় পায়নি।’

বহির্বিশ্বের সমর্থন সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি এ বিষয়গুলো বোঝা খুব মুশকিল। সরকারকে সময় দিতে হবে। অন্তত ৬ মাস যাওয়ার পর আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে বিনিয়োগ আছে কি না, বিভিন্ন ধরনের সাহায্য কি আসছে? দেশের অবস্থা একটু স্থিতিশীল হলে আমরাও এ ব্যাপারে তাদের বলতে পারব যে, তারা আমাদের কী ধরনের সাহায্য করতে চাচ্ছে। তারা কি নতুন ইনভেস্টমেন্ট করবে, পুরোনো ইনভেস্টমেন্টগুলো থাকবে কি না, এসব বিষয়ে জানা যাবে। তারা যে লোন দেবে সেগুলোর ইন্টারেস্ট রেট কতটুকু কমাবে। নতুন সরকারকেও এ ব্যাপারে প্রায়োরিটি তৈরি করতে হবে।’

আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাকে নতুন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অধ্যাপক ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, ‘নতুন সরকারকে শিগগির কিছু অগ্রগতি দেখাতে হবে। মুদ্রাস্ফীতি কত তাড়াতাড়ি কমানো যায় এবং অর্থনীতির কাঠামো কত তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে—সেটা আমার কাছে মনে হয় একটা বড় বিষয়। এর সঙ্গে দ্বিতীয় যেটা বিষয়, সেটা হচ্ছে বিনিয়োগ কত তাড়াতাড়ি আকৃষ্ট করতে পারবে। আর সবকিছুর জন্য কিছু সময় প্রয়োজন। সেই সময়টা সরকারকে দিতে হবে এবং সবার সহযোগিতাও এখানে প্রয়োজন। তাহলে নতুন সরকারকে বিশ্বনেতারা যেভাবে গ্রহণ করার কথা বলেছে সেটির ইতিবাচক ফলাফল পাবে সরকার, সঙ্গে জনগণও এই সুযোগ ভোগ করতে পারবে।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০