বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরানের আকস্মিক জবাবের ভয়ে, ভয়াবহ আতঙ্কে দিন কাটছে ইহুদিবাদীদের

তেহরানে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া যত দীর্ঘ হবে, ততই আতঙ্ক ও বিস্ময়ের মাত্রা এবং ইহুদিবাদী হানাদারদের বস্তুগত, মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নেতিবাচক প্রভাব বাড়তে থাকবে। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াহকে হত্যার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার দিনক্ষণ প্রসঙ্গে জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সময় ও পরিস্থিতি বুঝে ইরান এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৪, ০৩:২৫

তেহরানে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া যত দীর্ঘ হবে, ততই আতঙ্ক ও বিস্ময়ের মাত্রা এবং ইহুদিবাদী হানাদারদের বস্তুগত, মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক নেতিবাচক প্রভাব বাড়তে থাকবে।

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াহকে হত্যার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার দিনক্ষণ প্রসঙ্গে জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সময় ও পরিস্থিতি বুঝে ইরান এমন হামলা চালাবে যে ইসরাইল ভাববারও সময় পাবে না।

ইসমাইল হানিয়াহ এবং ফুওয়াদ শেকারের শাহাদাতের পর, ইরানে নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরোধ শক্তিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছিলেন যে, তারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে এই শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেবে।

ইসরাইলের রেডিও স্বীকার করেছে, হানিয়াকে হত্যার পর, ইহুদিবাদীরা এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসাবে প্রতিরোধ শক্তিগুলোর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছে।

ইসরাইলের রাস্তায় সুনসান নীরবতা এবং প্রতিটি ইহুদিবাদীদের মুখে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার কথা উল্লেখ করে ইসরাইলি রেডিও এ অবস্থাকে করোনা সময়ের অবস্থার মতো বলে বর্ণনা করেছে।

ইসরাইলের প্রচারমাধ্যমগুলো সীমান্তের ক্রসিং পয়েন্ট, বিমানবন্দরে বহু ফ্লাইট বাতিল হওয়া যাওয়া এবং যাত্রীদের দুরবস্থার বিষয়েও কথা বলেছে। ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও তাদের মিত্রদের সহায়তায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলার ধরণ, উদ্দেশ্য ও সময় জানার চেষ্টা করছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তেহরান ও বৈরুতে সম্প্রতি ইসরাইলের সন্ত্রাসী হামলার পর ইরান ও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় ইসরাইলের অর্থনৈতিক, সামরিক, নিরাপত্তা, সাইবার এবং গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

ইসরাইল সামরিক, নিরাপত্তা, গোয়েন্দা ও সাইবার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়া ছাড়াও, চলমান গাজা যুদ্ধের কারণে একদিকে যেমন অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগছে অন্যদিকে লোহিত সাগর, ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে ইয়েমেনিদের সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানের ফলে ইসরাইলের অর্থনীতিতে নতুন করে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বর্তমানে গাজা যুদ্ধ এবং ইয়েমেনিদের পাল্টা প্রতিরোধের কারণে সমুদ্র বাণিজ্যে ইসরাইল যে বিপদে পড়েছে তা গাজা অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এবং খাদ্য,ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিস এই অঞ্চলে না পৌঁছানো পর্যন্ত ইসরাইল এ বিপদ থেকে মুক্ত হবে না। অর্থাৎ ইসরাইলগামী কোনো জাহাজকে বাব আল-মান্দাব প্রাণালী অতিক্রম করতে দেয়া হবে না।

কিছুদিন আগে মিডিয়াগুলো এমন ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিল যে, যদি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং বন্দীদের বিনিময়ের বিষয়ে দোহা আলোচনা সফল হয় তবে এটি কঠোর অবস্থান থেকে ইরানকে বিরত রাখতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ইসরাইল আলোচনার টেবিলে কেবল তার নিজের স্বার্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেনের প্রচেষ্টাতেও কোনো কাজ হয়নি।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করায় বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি ইসরাইলের বিরামহীন বোমা বর্ষণে গাজায় আটকে পড়া ইসরাইলীও নিহত হয়েছে।

বন্দীদের মুক্ত করার অজুহাতে গাজায় ব্যাপক হামলা চালিয়েও ইসরাইল এখন পর্যন্ত বন্দী বিনিময় চুক্তির বাইরে তাদের একজন বন্দিকেও জীবিত মুক্ত করতে পারেনি।এমনকি ইসরাইলি বিমান হামলায় তাদের কিছু বন্দী নিহত হওয়ায় নেতানিয়াহু দেশের অভ্যন্তরে প্রচণ্ড সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন।

সুত্রঃ পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১