শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় সতর্ক আছে সেনাবাহিনী

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কিংবা কেপিআইয়ে হামলা-নাশকতা প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয় বলে জানিয়েছেন সেনা সদরের কর্নেল-স্টাফ কর্নেল ইন্তেখাব হায়দার খান। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের’ আওতায় মোতায়েন করা সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিংয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৭:৩৬

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কিংবা কেপিআইয়ে হামলা-নাশকতা প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয় বলে জানিয়েছেন সেনা সদরের কর্নেল-স্টাফ কর্নেল ইন্তেখাব হায়দার খান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের’ আওতায় মোতায়েন করা সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্নেল ইন্তেখাব হায়দার খান বলেন, সচিবালয়ে আগুনের ঘটনার তদন্ত হবে। তদন্ত হলে আগুন লাগার কারণ জানা যাবে। সেখানে সেনাবাহিনী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তথা সচিবালয়ে নাশকতা কিংবা আগুনের ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ঘটনাটি মাত্র ঘটেছে। বিস্তারিত তথ্য এখনও আমরা পাইনি। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী কাজ করছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল ইন্তেখাব বলেন, সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে দায়িত্ব পালন করবে, সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। সরকারের সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে। সুতরাং সরকারের সিদ্ধান্তেই সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চাপ নেওয়ার জন্যই সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তবে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

কক্সবাজারে এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সার্বভৌমত্বের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি এই মুহূর্তে নেই। ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর সবসময় সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে। যদি কখনও নিরাপত্তা ঝুঁকি আসে তখন সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে। তাছাড়া রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে বিজিবি এবং কোস্টগার্ডসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো কাজ করছে।

বান্দরবানে ত্রিপুরাদের ওপর হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হয়েছে। অন্য কোনো কারণ ছিল না।

আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে অনেক ঘটনা ঘটছে, তবে অবনতি হয়নি। এক্ষেত্রে পুলিশসহ অন্যান্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনশীল রাখতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী, বলেন কর্নেল ইন্তেখাব।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।

জাতীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এক পোশাক ব্যবসায়ী বসলেন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর পদে

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০:৩৬

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন গভর্নর হিসেবে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পান; দেড় বছর পর তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।

১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইসিএমএবি থেকে সিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব ও ডিসিসিআইসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।