মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আনন্দের মাঝে পরিবেশের আহাজারি, থার্টি ফার্স্ট নাইট

মোঃ মেহেদী হাসান, ঢাকা(মহানগর প্রতিনিধি): নতুন বছর উদযাপনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের উৎসবমুখর আয়োজন। বাংলাদেশ কী তার ব্যাতিক্রম? না, বাংলাদেশও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিনটি উৎযাপন করা হয়। আমাদের দেশে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি জনপ্রিয় রীতি হলো ফানুস ও আতসবাজি ফোটানো। যদিও এটি দেখতে মনোমুগ্ধকর, তবে আমরা কী প্রকৃতির কান্না শুনতে পাই? ছোট্ট […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৫

মোঃ মেহেদী হাসান, ঢাকা(মহানগর প্রতিনিধি):

নতুন বছর উদযাপনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের উৎসবমুখর আয়োজন। বাংলাদেশ কী তার ব্যাতিক্রম? না, বাংলাদেশও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিনটি উৎযাপন করা হয়। আমাদের দেশে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি জনপ্রিয় রীতি হলো ফানুস ও আতসবাজি ফোটানো।

যদিও এটি দেখতে মনোমুগ্ধকর, তবে আমরা কী প্রকৃতির কান্না শুনতে পাই? ছোট্ট চড়ুই টা বলে, “হঠাৎ কী শুরু হলো এই গভীর রাতে,দেখি একটু বেড়িয়ে” ঘরে আর ফেরা হলো না চড়ুইয়ের!! এতো এক চড়ুইয়ের গল্প, সব কৃৎপতঙ্গ ও পাখিরো হয় একই পরিস্থিতি। এর দায়ভার কী সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের নয়?

প্রকৃতি রক্ষা করার দায়িত্ব কার? বাঁচতে পারবে না কী পতঙ্গকূল? কী দোষ ছিলো ওদের? পৃথিবীতে পতঙ্গ হয়ে জন্ম নেওয়ায় কী অপরাধ? এ কেবল পতঙ্গকূলের হয়ে। পাশের বাসার বৃদ্ধ সলিমুল্লা চাচা থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজির শব্দ শুনে আতঙ্কে হার্ডাটাক করে, হাসপাতালে নিতে নিতে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পারলো গমন করে। এ কেবল এক সলিমুল্লাহ চাচার গল্প, এরকম হাজারো নবজাতক সহ বৃদ্ধদের জীবনাবসান ঘটছে, ফানুসের আগুনে পুড়ছে ঘরবাড়ি। গল্পগুলো অনেক পরিচিত।

তবে আমাদের পরিবেশ ও প্রকৃতি এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবে না কী? চলুন বদলে যায়!!

আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়ানোর ক্ষতিকর দিক_ বায়ু দূষণ: আতসবাজি ফোটানোর সময় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ যেমন সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসে মিশে যায়। এগুলো শুধু বায়ুর মান কমিয়ে আনে না, বরং মানুষের ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর।

শব্দ দূষণ: আতসবাজির উচ্চ শব্দ শুধু মানুষেরই নয়, পোষা প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর জন্যও অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিশেষত শিশু ও বয়স্ক মানুষদের জন্য এই শব্দ মানসিক চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

পাখি ও বন্যপ্রাণীর ক্ষতি: ফানুস ও আতসবাজির আলো এবং শব্দ পাখি ও বন্যপ্রাণীদের দিক নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি করে। আতঙ্কে তারা বাসা ছেড়ে পালায় এবং খাদ্য বা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়ে। অনেক পাখি মারা যায়।

জল দূষণ: আতসবাজি ও ফানুসের অবশিষ্টাংশ জলাশয়ে মিশে গিয়ে জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হয়। এর রাসায়নিক উপাদানগুলো জলজ প্রাণীদের শারীরিক বৃদ্ধি ও প্রজননে বাধা সৃষ্টি করে।

আগুন লাগার ঝুঁকি: ফানুস থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। শুষ্ক শীতকালে ফানুস থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুন ঘরবাড়ি, গাছপালা বা খোলা জায়গায় ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে। গত ২০২৪ এর থার্টি ফার্স্ট নাইটে দেশের একাধিক স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আলো দূষণ: আতসবাজির ঝলমলে আলো পাখি ও পতঙ্গের প্রাকৃতিক জীবনচক্র ব্যাহত করে। কৃত্রিম আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তারা প্রজনন, খাদ্য সংগ্রহ ও বাসস্থান তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্যুত হয়।

পরিবেশবান্ধব উদযাপনে বিকল্প পথ থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের সময় আমাদের উচিত পরিবেশের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া।

ইলেকট্রনিক আলোর প্রদর্শনী: পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী উদযাপনের জন্য এটি একটি চমৎকার বিকল্প।

গাছ লাগানোর উদ্যোগ: নতুন বছরকে উদযাপন করার জন্য গাছ লাগানো। যা আমাদের পরিবেশকে সুন্দর করবে।

সচেতনতা বৃদ্ধি: সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা।

সিয়াম পালন: ইসলাম ধর্মপ্রিয় ব্যাক্তিরা এইদিন সিয়াম(রোজা) পালন করতে পারেন।

আনন্দের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা নয়, বরং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা জরুরি। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন আমাদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে ঠিকই, তবে তা যেন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই, আসুন আমরা পরিবেশবান্ধব উপায়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাই।

চলুন নিজেকে বদলায়!

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।