শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

আস্থা সংকটে কমেছে আমানত, বেড়েছে ঋণ

আস্থা সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো থেকে আমানত তুলে নিয়েছেন অনেক গ্রাহক। যে পরিমাণ আমানত তুলে নেওয়া হয়েছে, বিপরীতে নতুন করে সেই পরিমাণ আমানত আসছে না। ফলে এসব ব্যাংকের অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আমানত কমলেও এসব ব্যাংকে ঋণ বিতরণ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৩১

আস্থা সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো থেকে আমানত তুলে নিয়েছেন অনেক গ্রাহক। যে পরিমাণ আমানত তুলে নেওয়া হয়েছে, বিপরীতে নতুন করে সেই পরিমাণ আমানত আসছে না। ফলে এসব ব্যাংকের অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আমানত কমলেও এসব ব্যাংকে ঋণ বিতরণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নানামুখী তৎপরতায় এসব ব্যাংকে সম্প্রতি বেশকিছু সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোয় গ্রাহকের আস্থা বাড়বে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে এসব ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা। যা জুন প্রান্তিকে ছিল ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে ইসলামী ব্যাংকগুলোয় আমানত কমেছে ৮ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। তবে এ সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমানত বেড়েছে ৪ হাজার ৬৭৮ কোটি বা ১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, সেপ্টেম্বর শেষে ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত ব্যাংক খাতের মোট আমানতের ২৫ দশমিক ০৮ শতাংশ। একই সময়ে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ২৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। সেই হিসাবে আমানতের চেয়ে ঋণ বিতরণ বেশি হয়েছে ৩৩ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে এসব ব্যাংকে অতিরিক্ত তারল্য কমেছে ৯৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। মূলত নতুন আমানত জমা না হওয়ায় এবং মাত্রাতিরিক্ত আমানত তুলে নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এতে বলা হয়, সেপ্টেম্বর শেষে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল ১৬১ কোটি টাকা। যা আগের প্রান্তিক জুন শেষে ছিল ১০ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে এসব ব্যাংকের অতিরিক্ত তারল্য কমেছে ১০ হাজার ২২৯ কোটি টাকা বা ৯৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

আমানতের তুলনায় বেশি হারে ঋণ বিতরণ করায় এসব ব্যাংকের এডিআর রেশিও (ঋণ-আমানত অনুপাত) বেড়ে গেছে। সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের এডিআর রেশিও ছিল শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ। যা আগের প্রান্তিক ডিসেম্বরে ছিল শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ছিল শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় এসব ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি দুটোই কমেছে। তবে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

প্রতিবেদনের সুপারিশে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা আমানত সংগ্রহ ও অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শুরু থেকেই বাংলাদেশে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা রয়েছে।

এ ব্যাংকগুলো পুরো ব্যাংকিং খাতের আমানতের ২৫ শতাংশের বেশি এবং বিনিয়োগের ২৮ শতাংশের বেশি শেয়ারের প্রতিনিধিত্ব করছে। ইসলামী আর্থিক খাতের অন্যান্য ব্যবস্থা যেমন- ইসলামী পুঁজিবাজার, ইসলামী বীমা (তাকাফুল) এবং ক্ষুদ্রঋণ খাতও সহায়ক হলে পদ্ধতিগতভাবে বিকাশ লাভ করতে পারে।

সুপারিশে আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় তাদের অর্থায়ন বাড়াতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রাহকের আস্থার অভাবেই মূলত আমানতের তুলনায় বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত তারল্য চাপের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা দিচ্ছে।

এর পাশাপাশি যেসব ব্যাংকে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে তারাও বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির ভিত্তিতে দুর্বল ইসলামী ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা দিচ্ছে। এ ছাড়া সম্প্রতি এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই সঙ্গে বেশকিছু সংস্কার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকের আস্থা বাড়বে এবং ইসলামী ব্যাংকগুলোর সংকট কাটবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশে বর্তমানে প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ইসলামী শাখাসহ ইসলামী ব্যাংকের মোট শাখার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭১৯টি। যা জুন শেষে ছিল এক হাজার ৭১১টি। গত বছরের একই সময়ে ছিল এক হাজার ৬৮৭টি। একই সময়ে ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর সংখ্যা ছিল ৭৫০টি। যা গত জুন শেষে ছিল ৬৮৮টি।

অর্থনীতি

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা […]

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২১

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করাই একটি কঠিন কাজ। নিবন্ধন জটিল, সেবা নিতে গেলে সরকারি অফিসে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে আগামী বছর থেকেই উদ্যোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান।

বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বেশি। এনজিও থেকে ঋণ নিলে সুদ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হয়, ফলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়। তারা বলেন, এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু হলেও বাস্তবে এটি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে নির্বাচনের কারণে সব খাতেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে এসএমই–খাতে ঋণ কমছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। বক্তারা মনে করেন, চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে।

এসময় রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউসের কঠোর প্রক্রিয়া এসএমই খাতের জন্য আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়।

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।

অর্থনীতি

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব : ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘ বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:১১

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘

বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পরও ব্যবসায়ীদের একই হারে, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতির মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি সংকট ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে গেছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও তলানিতে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ব্যবসায়ীরা কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।