বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাঞ্ছারামপুরে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলা

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ শীত আসলেই মেঘনা-তিতাস নদীঘেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কুস্তি খেলা শুরু হতো। ঐতিহ্যবাহী এই কুস্তি খেলা নিয়ে মানুষের মধ্যে ৭ থেকে ১০ বছর আগেও প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যেতো। চায়ের আড্ডা থেকে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনা আর আগ্রহ নিয়ে কথা হতো। এ বছর কে কুস্তিতে চ্যাম্পিয়ন হবে, কবে কোথায় খেলা হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:০১

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ

শীত আসলেই মেঘনা-তিতাস নদীঘেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কুস্তি খেলা শুরু হতো। ঐতিহ্যবাহী এই কুস্তি খেলা নিয়ে মানুষের মধ্যে ৭ থেকে ১০ বছর আগেও প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যেতো। চায়ের আড্ডা থেকে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনা আর আগ্রহ নিয়ে কথা হতো।

এ বছর কে কুস্তিতে চ্যাম্পিয়ন হবে, কবে কোথায় খেলা হবে, তাতে কোন কোন কুস্তিবিদ অংশ নিবে, এসব। কিন্তু মাদক, স্পন্সর, আয়োজক কমিটির অনীহা আর জায়গার অভাবে কুস্তি খেলা আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।
আবহমান গ্রামবাংলার প্রাচীনতম ঐহিত্য কুস্তি খেলার প্রতি এই অঞ্চলের মানুষের একটা র্দূবলতা সবসময় ছিল এবং আজও আছে। বাঞ্ছারামপুর ও পার্শ্ববর্তী কুমিল্লার হোমনা-মেঘনা-তিতাস উপজেলায় কুস্তি খেলার স্থানীয় নাম হলো ‘ডুগ খেলা’।

কালের বিবর্তনে কুস্তি বা ডুগ খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। তারপরও আজ গ্রাম বাংলায় এই কুস্তি খেলা অতি জনপ্রিয়।

এক সময় বর্ষা আসলে গ্রামের উঠোনে হাডুডু খেলার প্রচলন ছিল। এখন এই খেলাটি আস্তে আস্তে বিলিন হয়ে গেছে। সুস্থ দেহ আর মন মানসিকতার বিকাশ ঘটাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বাঞ্ছারামপুরের ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রামেই এলাকা ভিত্তিক কুস্তি খেলার আয়োজন হয়ে থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও এই এলাকায় কুস্তি খেলা শুরু হয়েছে।

বর্ষা আসলেই প্রতি গ্রামের যুবক, মধ্য বয়সি ছেলেরা কুস্তি খেলার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। কিছু দিন প্রশিক্ষণ দেয়ার পর আবার অন্য এলাকার লোকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে খেলার আয়োজন করা হয়। এই খেলার ভাল কুস্তিগীরকে “ডুগ প্লেয়ার” বলে আখ্যায়িত করা হয়। এই সকল কুস্তিগীর যারা থাকেন তারা প্রতিটি গ্রামে জামাই আদরে থাকেন। এলাকার প্রত্যেকেই তাকে শক্তি ও সাহস যোগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন এলাকায় কুস্তিগীর

যারা আছে তারা বিশেষ নামে পরিচিতি  লাভ করে। এই খেলা বড় গ্রাম হলে এক গ্রামে নতুবা, দুই তিন গ্রামে মিলে (কুস্তিগীর) প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এলাকায় যেসব গ্রামে কুস্তিগীর আছে তাদেরকে খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। যে এলাকায় খেলার আয়োজন করা হয় ঐ এলাকার শতশত দাওয়াতি লোক গ্রামে আগের দিন চলে যায়। আনন্দ উৎসাহে তাদেরকে গরু জবাই করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

পরদিন চলে কুস্তি খেলা, মাঠে হাজার হাজার লোক জমায়েত হয়। খেলা পরিচালনার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ দুই-তিন জনকে রেফারী দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা খেলা পরিচালনা করেন।

মঙ্গলবার দিনব্যপী উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নে কুস্তি খেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে বহুদিন পর খেলা দেখতে মানুষের ঢল নেমেছিল।

কুস্তি খেলা নিয়ে গবেষণা ও কুস্তিখেলা পাগল ব্লগার শামীমুর রহমান বলেন, বাঞ্ছারামপুরে আগে যেখানে শতাধিক কুস্তিবিদ খেলার জন্য অপেক্ষা করতো, কখন শীতকালে আয়োজকদের ডাক শুনবে, সেখানে এখন ভালো মানের ১ ডজন প্লেয়ার পাওয়াটাই দুস্কর। খেলোয়াড় সংকটের কারণ হিসেবে বলেন, পার্শ্ববর্তী হোমনা-তিতাস থেকে মাদকের সহজলভ্যতা বাঞ্ছারামপুরে বেশী। উঠতি যুবকরা সেদিকে ঝুকছে। আগে আমাদের মাদক বন্ধ করতে হবে।

জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুরে এখন যে হাতেগোনা খেলা হয়, সেখানে অন্য এলাকা থেকে প্লেয়ার চুক্তিতে আনতে হয়।

চট্টগ্রামের জব্বারের বলীখেলায় শেষ ২০১৮ সালে বাঞ্ছারামপুরের অলি বলী চ্যাম্পিয়ন হয়। তারপর, আর তেমন কোন অর্জন উল্লেখ করার মতো নেই।

মাহবুবুর রহমান নয়ন নামে কুস্তিপ্রেমী বলেন, বাঞ্ছারামপুরে কুস্তি খেলাকে পুনরায় জাগ্রত করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক নির্মুল করতে হবে। নইলে কুস্তি খেলা ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই হয়ে যাবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।