মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিকল্প রাস্তা তৈরী না করে ‘মরণ সেতু’ নির্মাণ শুরু, জনদুর্ভোগ চরমে

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ  উপজেলার সুয়াগাজী বাজারে  ডাইভারশান সড়ক নির্মাণ না করেই চলাচলের প্রধান সড়কের ব্রীজটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলায়, স্কুল,  কলেজ,  মাদ্রাসার হাজার হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কে দিয়ে যাতায়াত করছেন।  এছাড়াও নদীর আশেপাশের বাড়ি ঘর -দোকানপাট অপরিকল্পিত খননে ধসে পড়ার ঝুকিতে রয়েছে। প্রায় ৪০ টি গ্রামের  হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:১৬

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ  উপজেলার সুয়াগাজী বাজারে  ডাইভারশান সড়ক নির্মাণ না করেই চলাচলের প্রধান সড়কের ব্রীজটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলায়, স্কুল,  কলেজ,  মাদ্রাসার হাজার হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  ঢাকা -চট্টগ্রাম মহাসড়কে দিয়ে যাতায়াত করছেন।  এছাড়াও নদীর আশেপাশের বাড়ি ঘর -দোকানপাট অপরিকল্পিত খননে ধসে পড়ার ঝুকিতে রয়েছে।
প্রায় ৪০ টি গ্রামের  হাজার হাজার মানুষকে প্রতিদিন যাতায়াত করতে এক অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ফেসবুকে নানারকম লেখালেখি করার পরও ডাইভারশান সড়কের বদলে ঢাকা চট্টগ্রাম  মহাসড়কের  উল্টো পথে যাতায়াত করতে বাধ্য করা হচ্ছে।  এতে জনদূর্ভোগ ও হাজার হাজার শিক্ষার্থীর  জীবনের ঝুঁকি  আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসির।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সদর দক্ষিণে পুরাতন ট্রাংক রোড সুয়াগাজী বাজারের  পাগলী  নদীর ওপর  দীর্ঘ একটি লম্বা ব্রীজ  ছিল। ওই ব্রীজের  ওপর দিয়েই স্কুল, কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু পাগলী  নদীর ওপর থাকা প্রাচীন এই ব্রিজটি গত কয়েকবছর ধরে প্রচন্ড ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায়, এলাকায় ‘মরণ সেতু’ খ্যাত ওই সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ  করতে  ইতিমধ্যে পিলার দিয়ে বাধা প্রদান করা  হয়েছিল।
এ অবস্থায় ব্রিজটি ভেঙ্গে নতুন করে সেখানে একটি বড় ব্রিজ  নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার।
জানা যায়, এলাকাবাসির মারাত্মক দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সম্প্রতি সেখানে নতুন একটি ব্রিজ  নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। ইতিমধ্যে দরপত্র হয়ে যাওয়ার পর মেসার্স এনাম এন্টারপ্রাইজ নামের  একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রীজটির কার্যাদেশ পায়।
কিন্তু অভিযোগ পাওয়া গেছে, কার্যাদেশ পাওয়ার পর ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ি ডাইভারশান সড়ক নির্মাণ না করেই পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটির সম্প্রতি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলে। ফলে আশপাশের প্রায় ৪০ টি গ্রামের মানুষের সড়ক যাতায়াতে এক চরম দূর্ভোগে পড়তে হয়।
এদিকে ডাইভারশান সড়ক নির্মাণ না করেই আগের ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলায়, সৃষ্ট জনদূর্ভোগ নিয়ে স্থানীয়রা ফেসবুকে সচিত্র লেখালেখি শুরু করলে এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল নিরব ভুমিকায় রয়েছেন ।
এলাকাবাসির অভিযোগ, ডাইভারশান সড়কের বদলে রহস্যজনক কারণে কেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও জনগণকে মহাসড়ক উল্টো মুখি করে দেয়া হল, সেটিই এলাকাবাসি বুঝতে পারছেনা।
ব্রিজ সংলগ্ন  বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘ডাইভারশান সেতু না করেই পাকা ব্রিজটি ভেঙ্গে ফেলায়, বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে আসতে প্রতিদিন প্রচন্ড দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এটির দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার।’
বি এন পির  স্থানীয় নেতা রুবেল  বলেন, ‘ব্রীজটি ভাঙ্গার আগে নিয়ম অনুযায়ি ডাইভারশান সড়কটি কেন নির্মাণ করা হলনা, আমরা তার রহস্য জানতে চাই। পাশাপা এলাকাবাসিও জানতে চায়।
সুয়াগাজী এলাকার  বাসিন্দা হুমায়ুন মিয়া  বলেন, ‘ডাইভারশান সড়ক নির্মাণের আগেই কেন ব্রীজটি ভাঙ্গা হল, সেটি সবার আগে খুঁজে বের করা দরকার। তাই ডাইভারশান সড়কসহ নতুন ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য আমরা  সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট সার্বিক সহযোগিতা চাই।
কাজের ধীর গতি ও ব্রিজ  নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে  কুমিল্লা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ সহকারী  প্রকৌশলী সোহাগ বলেন, আমার কাছে এই মূহুর্তে ওয়ার্ক অর্ডারের কাগজ না থাকায় বিস্তারিত বলতে পারছি না।
এদিকে এ বিষয়ে  ব্রিজের কার্যাদেশ পাওয়া  নির্মাণের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক এনাম হোসেন চিকিৎসা জনিত কারণে দেশের বাহিরে থাকায়  বিস্তারিত জানা  যায়নি।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।