মহরম হাসান মাহিম
বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের আগামী এক বছরের জন্য ৫০ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা নূরুল হক নূর এবং হাসান আল মামুন এই কমিটি অনুমোদন করেন।
নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট খালিদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার জিল্লুর রহমান সুমন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইঞ্জিনিয়ার আরিফ মাহমুদ।
কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে গাজী নাসির উদ্দীন দায়িত্ব পালন করবেন। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন ড. ইমরান হোসাইন, এড. ড. মো. শরিফুল ইসলাম, ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, ডা. এমদাদুল হাসান এবং এড. মোহাম্মদ আব্দুস শুকুর।
সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিজওয়ান রূপ দীনেশ ও ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মো. মোজাম্মেল হোসেন, মো. খলিলুর রহমান মুন্না, ইঞ্জিনিয়ার মো. আনিসুর রহমান এবং এড. মিজান মোহাম্মদ মহাসিন।
এছাড়াও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর, অর্থ, প্রচার, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রবাসী পেশাজীবী, মানবাধিকার, ধর্ম ও সম্প্রীতি, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সাংবাদিকতা, শিক্ষা ও গবেষণা এবং আইন বিষয়ক বিভিন্ন সেলে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন কাওসার শেখ, মো. তরিকুল ইসলাম, শাহেদ বিন বারী, ইঞ্জি. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ইঞ্জি. মো. ইমরান হোসেন এবং সাংবাদিক জি. এম. রোকনুজ্জামান।
নবনির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট খালিদ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পেশাজীবীদের অধিকার রক্ষা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নৈতিক অবস্থান এবং সুসংগঠিত উদ্যোগের মাধ্যমে পেশাজীবীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, এই সংগঠনকে এমন একটি প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়া হবে, যেখানে সকল পেশার মানুষ সমানভাবে তাদের মতামত তুলে ধরতে পারবেন।
সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জিল্লুর রহমান সুমন বলেন, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে পেশাজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষিত হয়। তিনি একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে এই অবস্থার পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি এবং পেশাজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণই হবে তাদের মূল লক্ষ্য। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় এই কমিটি।
নতুন এই কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ পেশাজীবীদের অধিকার আদায় ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।