গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ২০০টিরও বেশি হিজবুল্লাহ স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংস করতে তাদের বিমানবাহিনী এই আক্রমণ অব্যাহত রাখবে।
ইসরাইলের এই ধারাবাহিক হামলা ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় বড় ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তা লেবাননের ক্ষেত্রেও কার্যকর হওয়া উচিত। তবে ইসরাইলের অব্যাহত আক্রমণ শান্তি প্রক্রিয়াকে বেশ জটিল করে তুলেছে।
এরই মধ্যে আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে ইসরাইলের হামলা দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে হয়তো কিছুটা অগ্রগতি হতে পারে।
বর্তমানে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনার টেবিলে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, কারণ আলোচনার সফলতা অনেকটাই নির্ভর করছে এই আঞ্চলিক উত্তজনা প্রশমনের ওপর।
যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়া রোধ করাই এখন শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সূত্র: আলজাজিরা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?