বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘরে ১৩টি ঘোড়া জবাই, জড়িতরা পলাতক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ১৩টি জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াকেও উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে […]

মুন্সিগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘরে ১৩টি ঘোড়া জবাই, জড়িতরা পলাতক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৩৩

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি :

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ১৩টি জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াকেও উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ঘরটির ভেতর ও আশপাশে জবাইকৃত ঘোড়ার দেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং চারদিকে রক্তের দাগ। জবাইকৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে একটি গর্ভবতী ঘোড়াও ছিল; ঘটনাস্থলে নাড়িসহ বাচ্চার দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া আশপাশে খোঁড়া গর্তে হাড় পুঁতে রাখার আলামত এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল মিয়াজী জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে এলাকায় সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বুধবার ভোরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জবাইকৃত ঘোড়াগুলো দেখতে পান। এ সময় আনারপুরা গ্রামের তিতাস ও রাজিব নামে দুই ব্যক্তিকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল হোসেন বলেন, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে গভীর রাতে ওই ঘরের সামনে গাড়ি আসত। পরে জানা যায়, একটি চক্র ঘোড়া জবাই করে মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করত। প্রমাণ নষ্ট করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে ফেলত।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আলী জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও এর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হওয়ায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা যায়নি। তবে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।