চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল অলি আহমদকে (বীরবিক্রম) নিয়ে অবমাননাকর ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিএনপির মহাসচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এলডিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই ড. অলি আহমদকে ‘রাজাকার’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি এলডিপিকে লক্ষ্য করে ‘জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’ ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
দলটির দাবি, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এমন আচরণ রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।
এই প্রেক্ষাপটে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওমর ফারুক বিএনপির মহাসচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি জানতে চান ড. অলি আহমদের কোন বক্তব্যকে ‘কটূক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে এবং এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কী?
তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, তার ব্যক্তিগত ছবি ও বিলবোর্ড ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজি এক বিবৃতিতে বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সহিংসতা, মিথ্যা অপবাদ ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।