নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বিগত ১০-১৫ বছর ধরে দেশে নদী, খাল-বিল খনন হয়নি। সরকার খাল বিল খননের একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় এই খাল গুলো থাকার কথা। কৃষকদের কৃষকদের করেছি, তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাফন ইউনিয়নের গরাডুবা হাওরের খালের মুখে ফসল রক্ষার বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঁধ নির্মাণের অনিয়মের বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, হাওরের ফসল রক্ষার নামে বিভিন্ন বাঁধের প্রকল্প নেওয়া হয়। বিগত বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য অর্থ উপার্জনের একটি ক্ষেত্র তৈরি করেন। তারা এসব প্রকল্পের নামে অর্থ লুটপাট করেছে। এগুলোর ব্যাপারে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কথা বলব। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মকর্তাগণ কৃষকদের সাথে কথা বলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
জলাশয় উন্মুক্ত করার ব্যাপারে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জলাশয় ইজারা প্রথা ২০০৯ নীতিমালা অনুযায়ী কোন প্রবাহমান নদ-নদী ইজারা দেওয়ার কোন বিধান নেই। কিন্তু উপজেলার উব্দাখালী নদীসহ বেশ কিছু জলাশয় (নদ-নদী) বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নামমাত্রই ইজারা নিয়ে মৎসাহরণ করেছে। এবং একই সাথে মৎস্য ভান্ডার ধ্বংস করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় নীতিমালা অনুযায়ী আমি বেশ কিছু নদ-নদীর ইজারা প্রথা বাতিলের প্রক্রিয়া করেছিলাম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য উব্দাখালী নদীসহ তিনটির ইজারা বাতিল করা হয়েছে।