সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ; ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আটক-৫, বালু বোঝাই বাল্কহেড জব্দ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার আটপাড়ায় মগড়া নদী থেকে সুমন খান ও তৌসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ওঠেছে। শনিবার বিকালে উপজেলার নারায়ণপুর বুড়ির ঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড নৌক জব্দ করে। তখন ঘটনাস্থল থেকে ৫জনকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা শারমিন বালু […]

নেত্রকোনায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ; ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আটক-৫, বালু বোঝাই বাল্কহেড জব্দ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪২

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার আটপাড়ায় মগড়া নদী থেকে সুমন খান ও তৌসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ওঠেছে। শনিবার বিকালে উপজেলার নারায়ণপুর বুড়ির ঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড নৌক জব্দ করে। তখন ঘটনাস্থল থেকে ৫জনকে আটক করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা শারমিন বালু মহাল আইনে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আদালত বরাবর প্রতিবেদন প্রদান করেন। রবিবার পুলিশ আসামীদের কে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন। তবে মূল অভিযুক্তরা ধরা পড়েনি বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

অভিযুক্তরা হলেন- সুমন খান আটপাড়া উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক ও গাবরগাছ গ্রামের মো. সিদ্দিক খানের ছেলে। আর তৌসিবুল ইসলাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আটপাড়া বিএনপির প্রয়াত নেতা মাজু মিয়ার ছেলে।  

আটককৃতরা হলেন-আউয়াল মিয়া (২২) আজিজুল হক (২৫) কাজল মিয়া (৩৩) ফয়েজ উদ্দিন (৪৯) ও লাক মিয়া (২৮) তারা সবাই বাল্কহেড নৌকার মাঝি ও পাশের উপজেলা বাইশদার গ্রামের বাসিন্দা।

ভ্রাম্যমান আদালত ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই সুমন খান মগড়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। এ নিয়ে স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় প্রশাসনকে অভিহিত করেন।

অদৃশ্য কারণে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন রদ বদল হয়। এরপর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। নির্বাচনে আগমুহূর্ত থেকে তারা প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন বন্ধ করে রাতের আঁধারে নদী থেকে বালু উত্তোলনের কার্যক্রম চালিয়ে যান।

শনিবার বিকেলে বালু উত্তোলনের সংবাদ পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি তানজিনা শারমিন বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড নৌকা জব্দ করেন।

তখন ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রতিবেদনের মাধ্যমে রবিবার তাদেরকে নেত্রকোনা আদালতে প্রেরণ করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আটপাড়ার স্থানীয় অনেকেই বলেন- ৫আগষ্টের পর থেকে সুমন খান মগড়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। কিছুদিন ধরে তৌসিবুল ইসলাম তার সাথে যুক্ত হয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন।

ফলে নদীর বিভিন্ন জায়গায় মৃত্যুর কূপ তৈরি হয়েছে। কেউ কিছু বলতে গেলে হুমকি ধমকির স্বীকার হয়েছে। তারা দাবি করছেন বালু লুটের সাথে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত তাদের কে আইনের আওতায় আনা হলে বন্ধ হবে। 

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌসিবুল ইসলাম জানান, দেওগাও থেকে নারায়ণপুর সড়কের ঠিকাদার হিসেবে নির্মাণ কাজ করছি। এ সড়কের জন্য ঠাকুরাকোনার আলামিন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে বালু ক্রয় করছি।

তিনি আমাকে ওই প্রজেক্টে বালু সরবরাহ করছেন। আজকে জেনেছি সুমন খান তাদের সাথে বালুর ব্যবসা করেন। তারা কোথায় থেকে বালু এনে দিচ্ছেন এসব বিষয়ে আমি জানিনা। তবে তারা আমাকে ভৈরব থেকে বালু এনে দেওয়ার কথা ছিল।

অপর অভিযুক্ত সুমন খানের নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

ভ্রাম্যমান আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা শারমিন বলেন, মগড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রির খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় আদেশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে আসা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের বিরুদ্ধে বালু মহল আইনে প্রতিবেদন দিয়ে আদালতে পাঠানোর জন্য পুলিশ কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম জানান, উপজেলার নারায়নপুর মগড়া নদী বুড়ির ঘাট এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় ভ্রাম্যমান আদালত বালু বোঝা একটি বাল্কহেড নৌকা জব্দ করে।

ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের প্রতিবেদন দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে আদালত চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা গ্রহণ করতে পারবে অথবা থানা মামলা রুজু করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।