শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রৌমারীতে বাল্য বিবাহ মুক্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের পাশে

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে। একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০০:৪৪

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:
রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে।
একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ এজিও কর্তৃক বাস্তবায়িত চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় বাল্য বিবাহ বন্ধসহ অসহায় পরিবার খুঁজে বের করে তাদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয় এই প্রকল্পটি। এ প্রকল্পটি গত ২০২৩ সালের প্রথম মাস থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নে ১৫৬টি বাল্য বিবাহ বন্ধসহ ১৫৬টি পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ করে দিয়েছে দেশের বৃহত্তম এই সংস্থাটি।
বন্দবেড় ইউনিয়নের জয়নব আক্তার বলেন, আমার পরিবারের অ-সচ্ছলতার জন্য আমার পরিার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও আমি রাজি না হয়ে আমার পরিবার কে বুঝাতে থাকি এক সময় আমি আমর পরিবার কে বোঝাতে সক্ষম হই এবং আমি আমার বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।
সিএনবি প্রকল্প আমার চোখ খুলে দিয়েছে। কারণ আমি যেদিন  আরডিআরএস ক্যাম্পাসে সিএনবি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রেভ গার্লস প্রশিক্ষনে অংশ নিই, সেদিনই আমি শপথ করি, এবং রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ বন্ধে নিরলস ভাবে আমরা গ্রুপ ওয়ারী কাজ করে যাচ্ছি। এবং আমরা সবাই একদিন এ উপজেলা কে বাল্য বিবাহ মুক্তসহ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলবো।
রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন চায়না বেগম। তার দুই মেয়ে কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্বামী জাকির হোসেন তাকে দুই মেয়েসহ প্রায় ১৬ বছর আগে ডিফোর্স দিয়ে দেয়। পরে তার দুই মেয়েকে নিয়ে চলে আসেন বাবার বাড়ী তার পরে দুই প্রতিবন্ধী মেয়ে কে নিয়ে চলে তিন বেলা ভাত জোটানোর যুদ্ধ এক পর্যায়ে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে জীবনযুদ্ধে টিকে ছিল এ পরিবারটি।
তবে ২০২৩ সালে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের জরিপের আওতায় আসে এ পরিবারটি। পরে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে গরু, ছাগল ও হঁাস-মুরগীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে এ পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল ও ছয়টি মুরগীসহ প্রয়োজনীয় কিছু আসবাবপত্র কিনে দেওয়া হয়। এগুলো সে হাতে পেয়ে আনন্দে চোখে জল আসে চায়নার।  এই সামান্য সঞ্চয় পেয়ে খুলে যায় তার ভাগ্য। তার পরে তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নী পিছনে।
  বর্তমানে বাবার দেওয়া ২ শতাংশ জায়গায় দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন চায়না বেগম। মেয়ে ফাতেমা, ফারজানা জরাজীর্ণ কন্ঠে আক্ষেভ করে বলেন, বাবা থেকেউ নেই, মা সহ তিন সদস্যের পরিবার আমরা থাকি খুবই জরাজীর্ণ একর্টি দুচালা টিনের ঘরে। আমাদের লেখাপড়া বন্ধছিলো তবে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে আমাদের ভাগ্য খুলে যায়। বর্তমানে আমরা দুই বোন জামিয়া ইসলামিয়া মিফতাহুল জান্নাদ মহিলা মাদ্রাসায় দাওরায় (বিএ) পড়ি। আগেআমাগরে না খেয়ে থাকলেও এখন চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর অর্থে এখন আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হয় না। আমরাও এখন পুষ্টিকর খাবার খাইতে পারি। এ প্রকল্পটি সুধু আমাদেরই না আমাদের মতো অনেকেরই ভাগ্য বদলিয়ে দিয়েছে এই চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)।
চাইল্ড নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর উপজেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করাসহ অসহায় পরিবারদেরকে স্বাবলম্বী করতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)। এতেকরে তৈরি হয়েছে অনেক নতুন জীবনের গল্প। খুলে দিয়েছে অনেক অসহায়ের স্বপ্নের দুয়ার। এই পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করবে।
তাদের সন্তানরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, যেই শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা রৌমারীতে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে দারিদ্রতা রৌমারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা সহ সব সময় পাশে দাড়ায় তাদের।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।