ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ‘শাহেদ’ ড্রোনের আরও উন্নত সংস্করণ রাশিয়া ইরানে পাঠাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা এপিকে তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রের বরাতে এপি জানিয়েছ, আগে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করলেও এখন সেগুলোকে আরও আধুনিক করে তুলেছে মস্কো। নতুন সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী প্রযুক্তি এবং স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ডিভাইস।
এই উন্নত ড্রোনগুলো বর্তমানে তেহরানে পাঠানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ধারণা, আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে এসব ড্রোন পরিবহন করা হচ্ছে। তবে এটি এককালীন নাকি ধারাবাহিক সরবরাহ তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এই অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরান অন্য কোনো দেশ থেকে যা-ই পাক না কেন, তা আমাদের অভিযানের সাফল্যে প্রভাব ফেলবে না।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইরান।
এদিকে ওমান উপকূলে মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা হয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এ হামলার দাবি করেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা ওমান উপকূলের কাছে একটি মার্কিন সামরিক সহায়তাকারী জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, ওমানের পোর্ট অব সালালাহ বন্দর থেকে ‘যথেষ্ট দূরত্বে’ অবস্থান করা একটি মার্কিন জাহাজকে টার্গেট করা হয়।
আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা আগেই ঘোষণা করেছি, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ওমানের জাতীয় সার্বভৌমত্বকে ইরান সম্মান করে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?