সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

‘উত্তরায় শপিংমলে রিকশাচালককে হত্যার তথ্যটি গুজব’

রাজধানীর উত্তরা-১৩ নম্বর সেক্টরে শপিংমলে রিকশাচালককে মারধর করে হত্যা করার ঘটনাটি গুজব এবং এ ঘটনায় কিছু দুষ্কৃতিকারী মব সৃষ্টি করে লুটপাটের চেষ্টা করে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে মার্কেটটি পরিদর্শন শেষে এসব তিনি এ কথা জানান। নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশের ছয়জন […]

‘উত্তরায় শপিংমলে রিকশাচালককে হত্যার তথ্যটি গুজব’

‘উত্তরায় শপিংমলে রিকশাচালককে হত্যার তথ্যটি গুজব’

নিউজ ডেস্ক

১৬ মার্চ ২০২৬, ১৫:৩২

রাজধানীর উত্তরা-১৩ নম্বর সেক্টরে শপিংমলে রিকশাচালককে মারধর করে হত্যা করার ঘটনাটি গুজব এবং এ ঘটনায় কিছু দুষ্কৃতিকারী মব সৃষ্টি করে লুটপাটের চেষ্টা করে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে মার্কেটটি পরিদর্শন শেষে এসব তিনি এ কথা জানান।

নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশের ছয়জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আলামত সংগ্রহ করছে পুলিশ।

এদিকে এখনও মার্কেটটি বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, এই হামলায় তাদের কোটি টাকার উপরে ক্ষতি হয়েছে, এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে তাদের মধ্যে।

এর আগে, রোববার দিবাগত রাতে উত্তরার স্কয়ার শপিংমলে এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করার অভিযোগ তুলে ভবন ঘেরাও ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভের রেশ ধরে একপর্যায়ে চালকরা উত্তরা পশ্চিম থানায় গিয়েও হামলা চালায় এবং ভবনের সামনে রাখা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন।

এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

রাজধানী

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় […]

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১২

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আদায়ের ঘটনায় তদন্ত জোরদার হলে তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই চক্রটি বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যা মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করা হতো।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলার আসামি বানানো, পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ‘মীমাংসা’ করে দেওয়ার প্রলোভনে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করত চক্রটি। এই প্রতারণার মূল নেতৃত্বে ছিলেন তাহরিমা জান্নাত সুরভী।

পুলিশ জানায়, তাহরিমা গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও লক্ষ্যভিত্তিক লাইভের মাধ্যমে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। অভিযোগ রয়েছে, এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

গ্রেপ্তারকৃত তাহরিমা জান্নাত সুরভীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার তদন্তে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’