শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে তৃতীয় দেশ থেকে ভিসা নেবে বাংলাদেশ

ভারতের পর্যটন ভিসা এখন বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিতভাবে জরুরি মেডিকেল ও শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় দেশের ভিসা চালু রয়েছে। এ দুটি খাতে ভিসা চালু থাকলেও অনেকেই ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। সে কারণে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। একইভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ওয়ার্ক ভিসা পেতেও সমস্যা হচ্ছে। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দিল্লির বিকল্প হিসেবে তৃতীয় […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:৫৯

ভারতের পর্যটন ভিসা এখন বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিতভাবে জরুরি মেডিকেল ও শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় দেশের ভিসা চালু রয়েছে। এ দুটি খাতে ভিসা চালু থাকলেও অনেকেই ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। সে কারণে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।

একইভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ওয়ার্ক ভিসা পেতেও সমস্যা হচ্ছে। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দিল্লির বিকল্প হিসেবে তৃতীয় দেশ থেকে ভিসা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

পশ্চিম ইউরোপের প্রায় সব দেশের ভিসা বাংলাদেশি নাগরিকরা ঢাকা থেকেই পেয়ে থাকেন। আর পূর্ব ইউরোপের বেশির ভাগ দেশের ভিসা দিল্লি থেকে নিতে হয়। তবে গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ রয়েছে। আর সীমিতভাবে দেওয়া হচ্ছে জরুরি মেডিকেল ও শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় দেশের ভিসা। তবে অনেক শিক্ষার্থীই ভারতের ভিসা না পেয়ে ইউরোপে তাদের গন্তব্যের দেশে যেতে পারছেন না।

পূর্ব ইউরোপের বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড প্রভৃতি দেশের ভিসা নিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের দিল্লি যেতে হয়। কারণ, এসব দেশের দূতাবাস ঢাকায় নেই। তবু এসব দেশে প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী পড়তে যান। এ ছাড়া রোমানিয়ায় এখন বাংলাদেশের প্রচুর কর্মীও যান। তবে ভারতীয় হাইকমিশন ভিসা সীমিত করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

তবে রোমানিয়ার ভিসার জন্য শিক্ষার্থীরা থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে দেশটির দূতাবাসে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ভিয়েতনাম, পাকিস্তান ও কাজাখস্তানে বুলগেরিয়ার ভিসার আবেদন করা যাবে।

এদিকে দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে যেন শিক্ষার্থীরা তৃতীয় দেশের ভিসা পেতে পারেন, সে উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশেষ উদ্যোগে ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার দূতাবাসে এরই মধ্যেই ৮৬ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদন করেছেন।

সূত্র জানায়, দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে ইউরোপের ভিসা তৃতীয় কোনো দেশ থেকে যেন নেওয়া যায়, সে উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের কাছাকাছি অন্য দেশগুলো থেকে যেন ভিসা পেতে পারেন, সে প্রচেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া প্রভৃতি দেশের ভিসা যেন বাংলাদেশ থেকেই পাওয়া যায়, সে প্রচেষ্টাও রয়েছে সরকারের।
জানা গেছে, রোববার (১ ডিসেম্বর) ইউরোপের তিন দেশ সফরে গেছেন পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিন। দেশগুলো হলো, জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। বাংলাদেশি নাগরিকরা সহজেই যেন চেক রিপাবলিক ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ভিসা পেতে পারেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইস্যুটি তুলতে পারেন পররাষ্ট্র সচিব।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানান, এখন যাদের জরুরি প্রয়োজন, তাদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে। কারণ, আমাদের লোকবল কম। আমাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে এটি (ট্যুরিস্ট ভিসা) শুরু করা সম্ভব হবে। তবে এখন যাদের জরুরি, তাদের মেডিকেল ভিসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ভারতে গিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের ভিসার আবেদন যারা করছেন, তাদের আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা চাই না এ ধরনের ভ্রমণে কেউ কষ্ট পাক। সে জন্য সর্বোচ্চ যতটুকু সম্ভব জরুরি প্রয়োজনীয় ভিসা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেন তৃতীয় দেশের ভিসা ভারতের পরিবর্তে অন্য কোনো প্রতিবেশী দেশ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এরই মধ্যেই বেশ কয়েকটি বিকল্প দেশ থেকে ভিসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা পাওয়ার বিষয়ে সরকার ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা (ভারত) বলেছে যে জনবল সংকটের কারণে কয়েক ধরনের ভিসার প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ রেখেছে।

দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে তৃতীয় দেশ থেকে ভিসা নেবে বাংলাদেশ

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

তারেক রহমানের ফেরার দিন উপলক্ষে মা‌র্কিন দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন—এ তথ্য বিএনপি এবং তারেক রহমান নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তাকে স্বাগত জানাতে দলটির পক্ষ থেকে বড় পরিসরে কর্মসূচির প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, গণমাধ্যমের তথ্য […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:৪২

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন—এ তথ্য বিএনপি এবং তারেক রহমান নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তাকে স্বাগত জানাতে দলটির পক্ষ থেকে বড় পরিসরে কর্মসূচির প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানমুখী সড়কগুলোতে বিএনপির বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, এই কর্মসূচি তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে। এ কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। সেদিন ঢাকা শহর বা আশপাশে যাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে, তাদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে বের হওয়ার এবং বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের তাদের বিমান টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে পুলিশ চেকপয়েন্টে এসব নথি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।