নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের নলডাঙ্গায় সাব-রেজিস্ট্রার(ক্যাম্প) অফিস চালু হয় গত ২০২৪ সালের ৫মার্চ। সেই দিন,মঙ্গলবার (৫ মার্চ ২০২৪) দুপুরে নলডাঙ্গা উপজেলায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলায় সাব-রেজিস্টার অফিসের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলিল লেখক মো. সাইদুর রহমান বিটলের গ্রাহক (কাস্টমার) দাতা আশারাফ আলী ও গ্রহীতা শমসের আলীর মধ্যে ৩৩ শতাংশ জমির হেবা ঘোষণা দলিলে স্বাক্ষর করে শুভ সূচনা করেন,সাব-রেজিস্টার গোলাম সারোয়ার।
পট পরিবর্তন হয়েছে, সরকার ও পরিবর্তন হয়েছে,তবুও সরকারি নিয়ম মানা হয়না বলে অভিযোগ ভূমি মালিকদের।
তারা জানান,এই সাব-রেজিস্ট্রি অফিস চালু হবার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলা দালাল ও দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং অস্পষ্ট প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ ভূমি মালিকরা যেখানে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। গত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় বিভিন্ন অনিয়মের কারণে,স্থানীয় গনমান্য ব্যাক্তিরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন।
গনমাধ্যমকর্মী মোস্তাফিজুর রহমান,মনিরুল ইসলাম ডাবলুসহ দলিল করতে আসা ভূমি মালিকদের অনেকের জানান,এই সাব-রেজিস্টারি অফিসে ভূমি মালিকদের দলিল লেখকদের সিন্ডিকেটের উপর নির্ভর করতে হয়। সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং অস্পষ্ট প্রক্রিয়া চলমান আছে। রেজিস্ট্রেশন ফি’র তালিকা
স্থাপন করলে,সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পুরোনো চক্রের আধিপত্য কমে আসবে,রেজিস্ট্রেশন খরচে স্বচ্ছতা তৈরি হবে এবং ভূমি মালিকেরা প্রতারণা থেকে রক্ষা পাবেন।
এই বিষয়ে নলডাঙ্গা অস্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার মোছাঃ আয়শা সিদ্দিকা বলেন,বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালযের,নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলিলের শ্রেণী ও জমির ধরন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন ফি সুনির্দিষ্ট তালিকা আকারে প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে টানানো বাধ্যতামূলক। ফলে কোন জমির দলিল করতে কত টাকা খরচ হবে,স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন ফি,আইটি সার্ভিস চার্জসহ মোট খরচ কত সবই ভূমি মালিকরা আগে ভাগেই জানতে পারবেন। তিনি আরো বলেন,এই অস্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার অফিসটির জায়গা নাটোর জেলা পরিষদের আওতাধীন। সাব রেজিস্ট্রি অফিসটি,অল্প কিছুদিন হলে চালু হলেও সবকিছুই এখনো গুছিয়ে উঠতে পারেনি। নিয়ম অনুযায়ী অচিরেই দলিল রেজিঃ ফি জনস্বার্থে স্থাপন করা হবে।
২য় পর্ব আসছে……………