মেক্সিকোর ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরা কার্ভান্তেস ওরফে ‘এল মেনচো’ নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে সহিংসতা দেখা দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, এল মেনচোকে হত্যার পর দেশটির ৩২টি রাজ্যের মধ্যে অন্তত ২০টি রাজ্যেই সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে মেক্সিকোর ন্যাশনাল গার্ডের অন্তত ২৫ জন সদস্য নিহত হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মেক্সিকান বিশেষ বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার কিছুক্ষণ পরই হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান এল মেনচো। কুখ্যাত এই মাদক কারবারির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেক্সিকোজুড়ে চরম অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।
মেক্সিকোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিকার্ডো ট্রেভিলা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে ২ হাজার ৫০০ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার থেকে মোট ৯ হাজার ৫০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
ট্রাম্পের হুমকির পর সীমান্তে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করল মেক্সিকোট্রাম্পের হুমকির পর সীমান্তে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করল মেক্সিকো
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলেছে, রোববারের অভিযানে এল মেনচোর ছয় দেহরক্ষী নিহত হয়েছে। সেই সঙ্গে সামরিক বাহিনীর তিন সদস্য আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া সহিংসতার ঘটনায় একজন কারারক্ষী, রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি কার্যালয়ের এক সদস্য এবং এল মেনচোর অপরাধী চক্রের অন্তত ৩০ জন সদস্য নিহত হয়েছে।
বিবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, এল মেনচোর নেতৃত্বাধীন ‘জালিসকো নিউ জেনারেশন কার্টেল’ (সিজেজিএন) মেক্সিকোর অন্যতম ভয়ঙ্কর অপরাধী সংগঠন। এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সিজেজিএন’র সদস্যরা বিভিন্ন শহরে তাণ্ডব শুরু করে।
রাস্তায় পেরেক ও কাঁটা ছিটিয়ে রাস্তা অবরোধ করে এল মেনচোর অনুসারীরা। সেই সঙ্গে বাস ও অন্যান্য যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে তারা। অনেক শহরে ব্যাংক ও স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও আগুন দেওয়া হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?