শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সকালে তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন , আবার রাতে ১১ দলীয় জোট পুনঃরায় দেয় আগুন

জাহাঙ্গীর আলম , তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ভোর সকালে অগ্নিদগ্ধ তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন আবার রাতে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দুর দেয়া আগুনে তারাকান্দায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিতীমত ক্ষুব্ধ ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষীত আ’লীগ নেতা তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতার মাঝে চরম বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তাদের […]

সকালে তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন , আবার রাতে ১১ দলীয় জোট পুনঃরায় দেয় আগুন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:১৪

জাহাঙ্গীর আলম , তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ভোর সকালে অগ্নিদগ্ধ তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন আবার রাতে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দুর দেয়া আগুনে তারাকান্দায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিতীমত ক্ষুব্ধ ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষীত আ’লীগ নেতা তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতার মাঝে চরম বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তাদের নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এতে তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ ও ৪নং গালাগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া লিখেন, ”প্রিয় সংগ্রামী সাথী সহযোদ্ধা। আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস আমাদের প্রত সালের ৫ই আগস্ট এই অফিসটা পুড়িয়ে আমাদের কলিজা দগ্ধ করেছিল,

দীর্ঘ ১৮ মাস পর যখন এই দগ্ধ কলিজা কিছুটা সেরে ওঠার পথে, ঠিক সেই সময় যারা অতি উৎসাহী হয়ে প্রতিপক্ষকে সুরসুরি দিয়ে আবার এই অফিসে আগুন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে তাদের প্রত্যেককেই জবাব দিতে হবে, তোমরা কার অনুমতি নিয়ে অফিস উদ্বোধন করলে, সে আওয়ামী লীগের কে? , এই অফিসের কে? ,

জবাব তোমাদেরকে দিতে হবে। ৫ই আগস্ট এর পর আমি দেশে থেকে সকল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করেছি যতটুকু পারি খোঁজখবর নিয়েছি আমার সাথে সকল পর্যায়ের আওয়ামীলীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ ছিল এখনো আছে ।

আমাদের উপজেলা যুবলীগ এক্টিভ ছিল এখনো আছে। উপজেলা ছাত্রলীগ অ্যাক্টিভ ছিলো এখনো একটিভ আছে। তোমরা কারা আওয়ামী লীগ অফিস উদ্বোধন করার? তোমরা কে ?

দলের এই দুর্দিন দুঃসময়ে আমাদের রাজনীতি হবে সম্মিলিত রাজনীতি সকল কর্মসূচি হবে সকলের অংশগ্রহণে । আমাদের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ সহ আরো যারা আগামী দিনের এমপি প্রার্থী আছেন মেয়র প্রার্থী আছেন,

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আছেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আছেন,আমরা সবাই এক মঞ্চে রাজনীতি করবো। আল্লাহ যাকে পছন্দ করবেন, নেত্রী যাকে পছন্দ করবেন তিনি এমপি হবেন । এর বাইরে যারা পৃথক রাজনীতি করার চেষ্টা করবে তাদেরকে মনে করব আওয়ামী লীগের শত্রু দেশের শত্রু।

আমি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দদেরকে উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি সবাই ঐক্যবদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণ করুন যারাই দ্বিতীয়বার আমাদের এই হৃদপিণ্ডে আগুন দিয়েছে আমরাও ওদের প্রত্যেকের রাজনীতি চিরদিনের জন্য নিশ্বেস করে দিব। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় আমাদের প্রিয় তারাকান্দার মাটিতে কোন রাজাকারের অস্তিত্ব রাখবো না।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

জয় দেশরত্ন শেখ হাসিন বলে লিখাটি শেষ করেন।

তা দেখে তার প্রতি উত্তরে তারাকান্দা উপজেলা যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন জিয়াউল হক জিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্ট বক্সে লিখেন, ” আপনার লেখাটা পড়ে উত্তর না দিয়ে পারলাম না। তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ ৫ ই আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত জীবিত আছে কিনা আমার জানা নেই।

তারাকান্দা উপজেলা যুবলীগ ৫ আগস্টের পর থেকে জীবিত আছে কিনা জানা নেই। কিছু সংখ্যা মানুষ ফেসবুকে পোস্ট করা ছাড়া রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ডে আওয়ামী লীগ’কে ফিরিয়ে আনার জন্য কোন ভূমিকা রাখেনি।

৫ ই আগস্টের পর থেকে কয়েকজন লোক ছাড়া কেউ কোন আন্দোলন মিছিল করেনি, তারা কিন্তু কেও বড় ধরনের পোস্ট পদবী নিয়ে করেনি। তার মানে কি পদ পদবী ছাড়া আওয়ামী লীগ কেউ করতে পারবে না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি আপনার কথার অনুযায়ী কয়েকজনকে তারাকান্দা ফুলপুর ইজারা দিয়ে দিছে, অন্য কেউ আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করলে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। জবাব যদি নিতে চান ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি যদি করতে চান তাহলে আসুন কবে কোন দিন অবস্থান করবেন আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার জন্য, না নেত্রীর আশায় বইসা রইছেন উনি ব্যবস্থা করে দিবে তারপর আপনারা আসবেন ।

আমি কথা দিলাম আমি আওয়ামী লীগের একজন নগণ্য কর্মী হিসাবে ওই তারিখে শতাধিক লোক নিয়ে আপনাদের পাশে থাকবো। ৫ তারিখের পর থেকে ফুলপুর তারাকান্দার কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছি এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে।

ইনশাআল্লাহ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু লিখে লিখাটা শেষ ক২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন যেতে না যেতেই দেশের বেশ কিছু স্থানে এমন সব দৃশ্য লক্ষ্মণীয় হয়ে উঠে। যা কিছু মানুষের কাছে ইতিবাচক ও কিছু মানুষের মাঝে নেতিবাচক হয়ে উঠছে।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।